📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে পরিবেশ বিধ্বংসী সড়ক নির্মাণে ক্ষুব্ধ পরিবেশকর্মীরা

কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে পরিবেশ বিধ্বংসী সড়ক নির্মাণে ক্ষুব্ধ পরিবেশকর্মীরা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই শহর রক্ষা বাঁধ ও সড়ক নির্মাণের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরকে আইনি নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি। প্রকল্পটির ব্যয় ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ব্যতিরেকে কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা সৈকতে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ব্যতিরেকে শহর রক্ষা বাঁধ ও সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। গতকাল রোববার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রকল্পটি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। একই দিনে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) প্রকল্পটির বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ প্রদান করে। দুই সচিবসহ আট সরকারি কর্মকর্তাকে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুগন্ধা সৈকতে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধ ও সড়ক নির্মাণের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ দিয়েছে বেলা
  • 📌 প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, অর্থায়ন করেছে জাইকা
  • 📌 পরিবেশ অধিদপ্তর প্রকল্পটির নথি তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপনের জন্য কক্সবাজার পৌরসভা ও প্রকল্প পরিচালকের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে
  • 📌 সুগন্ধা সৈকতে বালিয়াড়ি ভরাট করে প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ চলমান

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃক বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের অধীনে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যার অর্থায়ন করেছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। গতকাল রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, সমুদ্রতীরসংলগ্ন বালিয়াড়ি ভরাট করে সড়কের মাটির কাজ চলছে। কয়েকজন শ্রমিক পূর্বপাশে পানি চলাচলের নালার ওপর কালভার্ট নির্মাণ করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শ্রমিক জানান, সাত-আট দিন ধরে সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইসিএ অধিভুক্ত এলাকায় সড়ক নির্মাণের আগে পরিবেশ ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক হলেও এই প্রকল্পের জন্য কোনো ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন জানান, প্রকল্প পরিচালক ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রকল্পের নথি উপস্থাপনের জন্য লিখিত নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সময়সীমার মধ্যে জবাব না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সড়ক নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এনডিই)। প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহীন মিয়া দাবি করেন, নিয়মনীতি মেনেই কাজ চলছে। অন্যদিকে কক্সবাজার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রুমেল বড়ুয়া জানান, প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদিত হয়েছে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়েই কাজ শুরু করা হয়েছে।

"ইসিএ অধিভুক্ত এলাকায় বড় ধরনের সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করার আগে পরিবেশ ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক। কিন্তু সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কেউ নেয়নি। প্রকল্পের বিপরীতে থাকা তথ্যপ্রমাণ-কাগজপত্র তিন দিনের মধ্যে উপস্থাপন করতে প্রকল্প পরিচালক ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে লিখিত নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সময়সীমার মধ্যে জবাব না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুগন্ধা সৈকত, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী, শ্রমিক, প্রকল্প পরিচালক, রুমেল বড়ুয়া, মো. জমির উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, এক কিলোমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖