📌 গাজায় যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। নাসর এলাকার ধ্বংসপ্রাপ্ত স্কুলে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক শিবিরে শতাধিক রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা। যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা অধিকার এখন অভিজাত শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত হয়ে উঠেছে।
গাজায় যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে হামলা, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল। বিশেষ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় অবস্থানরত অসহায় মানুষের কাছে চিকিৎসা অধিকার এখন অভাবনীয় দুর্দশায় পরিণত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজায় যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে
- 📌 গাজা শহরের নাসর এলাকায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হাসান সালামা স্কুলে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক শিবিরে শতাধিক রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান
- 📌 যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় অবস্থানরত মানুষের কাছে চিকিৎসা অধিকার এখন দুর্লভ হয়ে উঠেছে
- 📌 গাজার মাত্র ৬টি ক্লিনিক চালু রয়েছে, যেখানে পূর্বে ছিল ২২টি
- 📌 গাজায় মাত্র ২ হাজার ইনপেশেন্ট শয্যা রয়েছে, যেখানে পূর্বে ছিল ৭০০ শয্যা শুধু আল শিফা হাসপাতালেই
📰 বিস্তারিত
গাজায় যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। আল শিফা হাসপাতালে ২০২৩ সালের নভেম্বরে হামলার মতো ঘটনা আর না ঘটলেও হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকায় অবস্থানরত মানুষের কাছে চিকিৎসা অধিকার এখন অভাবনীয় দুর্দশায় পরিণত হয়েছে। যুদ্ধের কারণে গাজার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, চিকিৎসা অধিকার এখন অভিজাত শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত হয়ে উঠেছে।
গত মাসে গাজা শহরের নাসর এলাকায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হাসান সালামা স্কুলে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক শিবির পরিদর্শন করেছেন আল জাজিরার এক প্রতিবেদক। ২০২৪ সালের আগস্টে স্কুলটির পাশেই অবস্থিত নাসর স্কুলে বোমা হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হন। বর্তমানে শত শত মানুষ সেই স্কুলের ধ্বংসাবশেষ ও উঠোনে তাঁবু খাটিয়ে বসবাস করছেন। কোনো সংস্থা এই শিবির পরিচালনা না করায় চিকিৎসাসহ কোনো ধরনের সেবা প্রদান করা হচ্ছে না। স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকের কয়েকজন চিকিৎসক একদিনের জন্য বিনামূল্যে শিবিরে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। তাঁদের আগমনে স্থানীয় মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। চিকিৎসকরা অন্তত ১৫০ জন রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
রোগীদের অভিযোগের মধ্যে ছিল উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা, হেপাটাইটিস, খোসপাঁচড়াসহ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ। এছাড়া অনেক শিশুর চিকেনপক্স, গ্যাস্ট্রোএন্টারাইটিস, ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ দেখা যায়। চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করলেও স্থানীয় মানুষের কৃতজ্ঞতা ছিল অপরিসীম। যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। স্থানান্তরিত মানুষদের জন্য চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।
"partially functioning"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা শহর, ফিলিস্তিন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল জাজিরা প্রতিবেদক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন (নিহত), ১৫০ জন (রোগী), ২২টি (ক্লিনিক), ৬টি (চলমান ক্লিনিক), ২ হাজার (ইনপেশেন্ট শয্যা), ২০ লাখ (জনসংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!