📌 ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে নতুন বিধিনিষেধ আসে। তবে দুই দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় রেখে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃবাণিজ্যে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপিত হয়েছে। দুই দেশের জনগণের অর্থনৈতিক কল্যাণ ও সামগ্রিক স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এসব বিধিনিষেধ পর্যালোচনা করে বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে নতুন বিধিনিষেধ আরোপিত হয়েছে
- 📌 দুই দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় রেখে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- 📌 গত বছর দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিধিনিষেধ থাকলেও অর্থনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার তাগিদ
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশের সচিবালয়ে ভারতের নিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকলেও গত বছর দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক স্বার্থ অনেক সময় অন্যান্য বিষয়কে ছাপিয়ে যায়। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হলে সাধারণ মানুষ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
"আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিধিনিষেধ থাকলেও অর্থনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে গত বছর প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। দুই দেশের জনগণের কল্যাণে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!