📌 কানাডার রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশি গবেষক রঞ্জন দত্ত। তিনি দুর্যোগ ও আদিবাসী জ্ঞানের গবেষণায় ১৭ বছর ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং ১৫ মিলিয়ন কানাডীয় ডলারের গবেষণা তহবিল সংগ্রহ করেছেন
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত গবেষক রঞ্জন দত্ত কানাডার সর্বোচ্চ একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়েছেন। কানাডার রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডার (আরএসসি) কলেজ অব নিউ স্কলার্স, আর্টিস্টস অ্যান্ড সায়েন্টিস্টসের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। দুর্যোগ মোকাবিলা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জ্ঞান-ভিত্তিক গবেষণায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রঞ্জন দত্ত** কানাডার রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডার (আরএসসি) কলেজ অব নিউ স্কলার্সের সদস্য নির্বাচিত হন — এই পদটি কানাডার মধ্যম পর্যায়ের গবেষকদের জন্য সর্বোচ্চ স্বীকৃতি।
- 📌 **১৭ বছর ধরে** দুর্যোগ মোকাবিলা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জ্ঞান-ভিত্তিক গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
- 📌 **৩৯টি গবেষণা প্রকল্পে** নেতৃত্ব দিয়েছেন রঞ্জন দত্ত, যার মধ্যে **১৫ মিলিয়ন কানাডীয় ডলারের** বেশি প্রতিযোগিতামূলক তহবিল সংগ্রহ করেছেন।
- 📌 **বাংলাদেশ, নেপাল ও কানাডার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর** সঙ্গে কাজ করে তিনি স্থানীয় জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
- 📌 **রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডা** এই বছর **৫৪ জন** কলেজ অব নিউ স্কলার্সের সদস্য এবং **১০৫ জন** ফেলো নির্বাচিত করেছে।
📰 বিস্তারিত
রঞ্জন দত্ত কানাডার মাউন্ট রয়্যাল ইউনিভার্সিটির ইন্ডিজেনাস স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি ২০২০ সাল থেকে কানাডা রিসার্চ চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডার সভাপতি ফ্রাঁসোয়াজ বেলিসের মতে, রঞ্জন দত্তের মতো গবেষকরা চিকিৎসা, প্রযুক্তি, জলবায়ু গবেষণা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
মাউন্ট রয়্যাল ইউনিভার্সিটির প্রভোস্ট চ্যাড লন্ডন বলেছেন, রঞ্জন দত্তের এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার শক্তি ও প্রভাবকে প্রতিফলিত করে। তিনি দাবানল মোকাবিলা, স্থানীয় শাসনব্যবস্থা এবং পানির অধিকার নিয়ে আদিবাসীদের সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁর গবেষণায় স্থানীয় প্রবীণ ও ভূমিনির্ভর জ্ঞানকে দাবানল ঝুঁকি ও জরুরি পরিকল্পনায় কাজে লাগানো হয়েছে।
রঞ্জন দত্তের গবেষণার অন্যতম লক্ষ্য হলো আদিবাসী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ, তথ্য ব্যাখ্যা এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্ত করা। তিনি বাংলাদেশ ও নেপালের সরকার ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের নীতিগত আলোচনায় প্রভাব ফেলেছেন।
"আমরা রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডার নবীন ফেলো এবং কলেজ সদস্যদের স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। তাঁরা তাঁদের পাণ্ডিত্য ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে কানাডার সমাজকে গড়ে তুলতে সহায়তা করছেন।"
— ফ্রাঁসোয়াজ বেলিস, রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডার সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কানাডা (মাউন্ট রয়্যাল ইউনিভার্সিটি, কানাডার বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রঞ্জন দত্ত, ফ্রাঁসোয়াজ বেলিস, চ্যাড লন্ডন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ জন (কলেজ সদস্য), ১০৫ জন (ফেলো), ১৭ বছর (গবেষণাকাল), ৩৯টি প্রকল্প, ১৫ মিলিয়ন কানাডীয় ডলার (তহবিল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!