📌 ঢাকার সুত্রাপুরে পারিবারিক কলহে এক ব্যক্তি নিজের ও পাঁচজন আত্মীয়ের গায়ে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। দগ্ধদের মধ্যে ৯০ শতাংশ দগ্ধতা সহ ৫ জনকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে
ঢাকা: পারিবারিক কলহে উত্তেজিত হয়ে এক প্রবাসী সৌদি আরবের ছেলে নিজের ও পাঁচজন আত্মীয়ের গায়ে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় সুত্রাপুরের শ্যামবাজার চামাকটুলি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ইমন (২৬), যিনি ৯০ শতাংশ দগ্ধতা সহ ভর্তি রেখে চিকিৎসা পাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পারিবারিক কলহে পেট্রোল আগুনে দগ্ধ পাঁচজন, সবাইকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি
- 📌 সৌদি আরব প্রবাসী ইমন (২৬) নিজের ও পাঁচজন আত্মীয়ের গায়ে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন
- 📌 দগ্ধদের মধ্যে সিদ্দিক বেপারী (৬০) ৩৫ শতাংশ, ইমন ৯০ শতাংশ, আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) ৮ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত
- 📌 তানিয়া আক্তর (২০) ও রাজিব (৩৮) যথাক্রমে ৬০ ও ১৫ শতাংশ দগ্ধতা সহ চিকিৎসাধীন
- 📌 ইমনের বোন সুলতানা ময়লা পানি নিয়ে তানিয়ার সাথে ঝগড়া শুরু করে, যা কলহে পরিণত হয়
📰 বিস্তারিত
সুত্রাপুরের শ্যামবাজার চামাকটুলি এলাকার পৈতৃক সম্পত্তিতে ঘটে এই ঘটনা। দগ্ধদের মধ্যে রয়েছে ইমনের বাবা সিদ্দিক বেপারী (৬০), ভাতিজা রাজিব (৩৮), ভাগিনা আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) ও ভাগ্নি তানিয়া আক্তর (২০)। ইমন সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে এসেছিলেন। তিনি আগুন ধরানোর আগে সবাইকে হুমকি দিয়েছিলেন, ‘আমিও মরব, তোদেরকেও মারব’ বলে।
আরিফুর রহমান ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, ইমনের বোন সুলতানা বাসার সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখেন। তানিয়া পানি পরিষ্কার করতে বললে দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হয়। সুলতানা ইমনকে বিষয়টি জানায়, যিনি দেশে ফিরে এসে কলহে জ্বালা দেয়। ইমন নিজের গায়ে পেট্রোল ঢালেন এবং বাকিদের শরীরে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, ইমনের ৯০ শতাংশ, সিদ্দিকের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ, আরিফুর ৮ শতাংশ ও তানিয়ার ৬০ শতাংশ দগ্ধতা লক্ষ্য করা গেছে। সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
"আমিও মরব, তোদেরকেও মারব’ বলে নিজের ও পাঁচজন আত্মীয়ের গায়ে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন ইমন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুত্রাপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইমন (২৬), সিদ্দিক বেপারী (৬০), আরিফুর রহমান ধলু (৩৫), রাজিব (৩৮), তানিয়া আক্তর (২০)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন দগ্ধ, ৯০ শতাংশ (ইমন), ৩৫ শতাংশ (সিদ্দিক), ৬০ শতাংশ (তানিয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!