📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শেখ হাসিনা গুমকৃত ব্যক্তিদের আশ্বস্ত করতেন কিন্তু নিজেই গুমের সত্য জানতেন। তিনি বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর অভিনয় করেছেন। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের প্রমাণে এখন স্পষ্ট হয়ে গেছে তিনি গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ শেখ হাসিনাকে বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি গুমকৃত ব্যক্তিদের আশ্বস্ত করতেন যে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে, কিন্তু নিজেই জানতেন আসলে তারা কোথায় আছেন। তাঁর অভিনয়শৈলী ও আচরণের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের শীর্ষ অভিনেত্রীর ভূমিকা পালন করেছেন। তবে জনগণ তখন বুঝতে পারেননি। এখন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের প্রমাণের মাধ্যমে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্পিকার বলেছেন, শেখ হাসিনা গুমকৃত ব্যক্তিদের আশ্বস্ত করতেন কিন্তু নিজেই গুমের সত্য জানতেন — তিনি বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর অভিনয় করেছেন
- 📌 আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে, শেখ হাসিনা গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন
- 📌 একজন ব্যারিস্টারকে ৮ বছর হাতকড়া পরিয়ে আয়না ঘরে বন্দি রাখা হয়েছিল — শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি মুক্ত হয়ে সংসদ সদস্য হন
- 📌 রূপপুর প্রকল্পে বালিশের দাম ৬০ হাজার টাকা, পর্দার দাম ৪২ হাজার টাকা — ভূমি প্রতিমন্ত্রীর লন্ডনে ৩৬০টি বাড়ি রয়েছে
- 📌 লালমোহনের স্থানীয় এমপি ছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও খুনি — ২০১০ সালে নির্বাচনী সহকর্মীদের আহত ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেন
📰 বিস্তারিত
১২ সেপ্টেম্বর লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি হিসেবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বক্তৃতা দেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা গুমকৃত ব্যক্তিদের স্বজনদের আশ্বস্ত করতেন, কিন্তু নিজেই জানতেন আসলে তারা কোথায় আছেন। তাঁর অভিনয়শৈলী ও আচরণের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর ভূমিকা পালন করেছেন। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের প্রমাণের মাধ্যমে এখন জনগণের কাছে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে।
স্পিকার আরও উল্লেখ করেন, একজন ব্যারিস্টারকে ৮ বছর হাতকড়া পরিয়ে আয়না ঘরে বন্দি রাখা হয়েছিল। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি মুক্ত হয়ে সংসদ সদস্য হন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের লুটপাটের উদাহরণ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের বালিশের দাম ৬০ হাজার টাকা এবং পর্দার দাম ৪২ হাজার টাকা উল্লেখ করেন। তখনকার ভূমি প্রতিমন্ত্রীর লন্ডনে ৩৬০টি বাড়ি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
লালমোহনের স্থানীয় রাজনীতি নিয়ে স্পিকার বলেন, বিগত সরকারের স্থানীয় এমপি ছিলেন একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও খুনি। ২০১০ সালের উপনির্বাচনে ঢাকা থেকে সন্ত্রাসী এনে দিনদুপুরে তাঁর নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে রামদা দিয়ে আহত করেন এবং বাড়িঘর ভাঙচুর করেন। তখনকার তাঁর নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক ভোলা-৪ আসনের সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলমকে পিটিয়ে জখম করেন। স্পিকার বলেন, তিনি হাসপাতালে তাঁকে দেখতে গিয়ে প্রবেশ করতে পারেননি।
মতবিনিময় সভার শেষ পর্যায়ে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম তাঁর নির্বাচনি এলাকা লালমোহনের মানুষের কাছে জানতে চান, তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তারা সন্তুষ্ট কি না। এ সময় সাংসদীয় পদ্ধতির আদলে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নেওয়া হয় এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়। উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের করতালির মধ্য দিয়ে সভা সমাপ্ত হয়।
"আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এখন জনগণের কাছে প্রমাণ হয়ে গেছে, শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী এবং নিজেই ছিলেন গুমের নির্দেশদাতা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালমোহন উপজেলা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার টাকা (বালিশের দাম), ৪২ হাজার টাকা (পর্দার দাম), ৩৬০টি (বাড়ি), ২০১০ (বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!