📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হেফাজত আমিরের তীব্র সতর্কবার্তা: সাদ কান্ধলভীকে তওবা না করলে বাংলাদেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ

হেফাজত আমিরের তীব্র সতর্কবার্তা: সাদ কান্ধলভীকে তওবা না করলে বাংলাদেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে কোরআন ও নবী সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিতে থাকলে তওবা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে কোরআন ও নবী ও সাহাবীদের সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে তওবা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, সাদ কান্ধলভীর বক্তব্য ইসলাম ও শরিয়তের মূল্যবোধকে বিনষ্ট করছে। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হেফাজত আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, সাদ কান্ধলভীকে তওবা না করলে বাংলাদেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।
  • 📌 দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বিদের সাথে আলোচনা করেও সাদ কান্ধলভী বক্তব্য সংশোধন করেননি।
  • 📌 ২০১৮ ও ২০২৪ সালের টঙ্গী ইজতেমা মাঠে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে সাদপন্থীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও সাদপন্থীদের ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়েছে।
  • 📌 টঙ্গী ইজতেমা মাঠে সাদপন্থীদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, সাদ কান্ধলভী তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্ধলভীর প্রপৌত্র। দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের কিছু অনুসারীরা তাকে নিজেদের আমির হিসেবে মেনে নেয়। তিনি দাবি করেছেন, দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বিরাসহ আলেমরা সাদ কান্ধলভীকে সংশোধনের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তিনি তাদের পরামর্শ গ্রহণ করেননি।

২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর ও ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবিতে ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’ ব্যানারে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা দাবি করেছেন, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। সম্মেলনে হেফাজতের আমিরের লিখিত বক্তব্য পড়া হয়। তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, সাদ কান্ধলভী যত দিন তওবা না করে, তত দিন তাকে বাংলাদেশে প্রবেশ দেওয়া যাবে না।

আমির বলেন, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আলেমদের তত্ত্বাবধানে শুরায়ি নেজাম দ্বারা পরিচালিত হবে। কাকরাইল মারকাজের কার্যক্রমও ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে চলবে। তিনি আরও দাবি করেন, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে এনে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচার করতে হবে।

হেফাজতের আমিরের অভিযোগ, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠে তাবলিগের সাথি ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার।

"তাবলিগের শুরায়ি নেজামের সাথি ও মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর হামলাকারীদের অনেকে ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর’। তাঁরা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং বিদেশি গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ষড়যন্ত্র করছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কাকরাইল, রাজধানী ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী (হেফাজত আমির), মাওলানা সাদ কান্ধলভী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖