📌 সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের মধ্যে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ফিরে আসার বিষয়ে তর্ক হয়। তাহের বলেন, আওয়ামী লীগের পলাতকদের বিচার হলে দলটি আর থাকবে না। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট রংপুর অভিমুখে লংমার্চের প্রস্তুতি নিচ্ছে
সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ফিরে আসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়। এই বিতর্কে আওয়ামী লীগের পলাতক আসামিদের বিচার ও দলের রাজনৈতিক পুনরুজ্জীবনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় হয়ে ওঠে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আওয়ামী লীগের পলাতকদের বিচার হলে দলটি আর থাকবে না এবং তাদের রাজনীতিতে ফিরে আসার কোনো নীতিগত সমস্যা নেই।
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা নির্বাচনী প্ল্যাটফর্মে বক্তৃতা দিয়েছেন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা নিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে উঠেছে।
- 📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, ‘আপনি বিষয়ের ওপরে থাকুন’ এবং ‘তাদের আর ওয়াকআউট দেখতে চাই না’।
- 📌 জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট চট্টগ্রাম থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
- 📌 মীর আহমাদ বিন কাসেম (জামায়াত এমপি) সংসদে ১৪৭ বিধির নোটিশের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে এই বিতর্কের সূত্রপাত করেন।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে জামায়াতের এমপি মীর আহমাদ বিন কাসেম ১৪৭ বিধির নোটিশের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে আওয়ামী লীগের বিষয়টি উত্থাপন করেন। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলীয় উপনেতা একটা কথা বলেছেন যে, আওয়ামী লীগের পলাতক আসামি ও দুর্বৃত্তরা গ্রামগঞ্জে মিছিল দিচ্ছে। বিগত নির্বাচনের সময় আমাদের বন্ধুদের অনেকে নির্বাচনী প্ল্যাটফর্মে সেই দলের নেতারা বক্তৃতা দিয়েছেন—এটা আমি বলতে চাচ্ছি না।’ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি বিষয়ের ওপরে থাকুন’ এবং ‘তাদের আর ওয়াকআউট দেখতে চাই না’।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কারও উদ্দেশ্যে কিছু বলছি না। আমি কারেক্ট না, কারেক্ট হলে কারেক্ট করবেন। আওয়ামী লীগের লোকজন রাজনীতি করতে চাইলে, ফিরে আসলে আপনাদের মন্তব্য কী?’ তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারি দল, বিরোধী দল সবাই মিলে আমাদের একটাই অঙ্গীকার হওয়া উচিত—আমরা এখানেই বিতর্ক করব, তর্ক করব, দ্বিমত পোষণ করব; কিন্তু ফ্যাসিজম, আওয়ামী লীগ যেখানেই হোক, তার প্রতিরোধের জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ।’
বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘আংশিক’ উদ্ধৃতির কারণে তাঁর বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরা হয়নি। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লাখ লাখ লোক যে ক্রাইম করেছে, তাদের উপযুক্ত বিচার করার পরে যদি কিছু আওয়ামী লীগের থাকে, তাহলে সেটা একটি ভিন্ন আলোচনা। আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগের ক্রিমিনালদের যদি বিচার হয়, তাহলে আওয়ামী লীগ নামে আর কোনো দল থাকবে না এবং তাদের সেই দল করার মতো লোকও থাকবে না।’
"আমি যেটা বলেছি, সেটা হচ্ছে, অ্যাজ আ পার্টি আওয়ামী লীগ বা যেকোনো দল রাজনীতি করবে, এটা কোনো নীতিগত সমস্যা নাই; কিন্তু আওয়ামী লীগের লাখ লাখ লোক যে ক্রাইম করেছে, তাদের উপযুক্ত বিচার অত্যন্ত প্রোপারলি করার পরে যদি কিছু আওয়ামী লীগের থাকে, তাহলে সেটা একটি ভিন্ন আলোচনা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মীর আহমাদ বিন কাসেম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৭ (বিধি), ১১ (দলীয় জোট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!