📌 সংসদে বিরোধী দলের প্রস্তাব গৃহীত হয় বেনজীর আহমেদসহ পলাতকদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সরকার কোনো শৈথিল্য দেখাবে না। ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি ও ইউএই থেকে প্রত্যর্পণের পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়
সংসদে আনা বিরোধী দলের প্রস্তাব গৃহীত হয় বেনজীর আহমেদসহ পলাতকদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য থাকবে না। বেনজীর আহমেদকে ‘সিরিয়াল কিলার’ আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে তার নাম উল্লেখযোগ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেনজীর আহমেদসহ পলাতকদের প্রত্যর্পণে সরকারের শৈথিল্য নেই — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে ঘোষণা করেন।
- 📌 বিরোধী দলের প্রস্তাব গৃহীত — প্রথমবারের মতো বিরোধী দলের প্রস্তাব সংসদে কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।
- 📌 বেনজীরের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল জারি — এখনো কার্যকর রয়েছে।
- 📌 ইউএই থেকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ ১৬ জুন পাঠানো — ৩০ দিনের মধ্যে অনুরোধের কথা থাকলেও বাংলাদেশ মাত্র চার দিনের মধ্যে পাঠায়।
- 📌 বেনজীরের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত নয় — সেন্ট লুসিয়ায় যাওয়ার আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি।
- 📌 বেনজীরের বিরুদ্ধে ৬টি দেশের পাসপোর্ট জালিয়াতির তদন্ত চলছে — সরকারি চাকরিতে থাকাকালীন পাসপোর্ট নেওয়ার অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানানো হয়নি।
📰 বিস্তারিত
সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আনা প্রস্তাবের ওপর আলোচনা চলাকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বেনজীর আহমেদসহ বিদেশে পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণে সরকার কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখাবে না।’ তিনি জানান, বেনজীরের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করা, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া, পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগ যাচাই এবং দেশে-বিদেশে অবৈধ সম্পদ শনাক্ত ও জব্দে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বেনজীর আহমেদকে ‘সিরিয়াল কিলার’ আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে গুম-খুন-নির্যাতনের পরিসংখ্যানে তার নাম উল্লেখযোগ্য। শেখ হাসিনার পর বেনজীরকে ‘নাম্বার ওয়ান’ হিসেবে উল্লেখ করা যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কাউকে ধরে ফাঁসি দেওয়া যায় না। জুডিশিয়াল প্রসেসের ওপর আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে।’
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল জারি হয়। ইউএইর ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ২০২৬ সালের ১২ জুন বাংলাদেশকে জানায়, বেনজীর সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বাংলাদেশ ১৬ জুন কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইউএইর অভ্যন্তরীণ আইন ও পারস্পরিক সহযোগিতার নীতির ভিত্তিতে প্রক্রিয়া চলছে। অতিরিক্ত নথিপত্র ৪ আগস্ট পাঠানো হয় এবং ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইনি ব্যাখ্যা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে।
বেনজীরের বিরুদ্ধে সেন্ট লুসিয়ায় যাওয়ার আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘নোটিশে বলা হয়েছে, বেনজীর সেন্ট লুসিয়ায় চলে গেছেন।’ তবে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের জন্য আরো তথ্য প্রয়োজন বলে জানানো হয়।
“বেনজিরসহ বিদেশে অবস্থানরত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখাবে না।” — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সংসদ, ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মীর আহমাদ বিন কাসেম, বেনজীর আহমেদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ দিন, ১১ এপ্রিল ২০২৫, ১২ জুন ২০২৬, ১৬ জুন ২০২৬, ৪ আগস্ট ২০২৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!