📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণতন্ত্রের মূল শক্তি হিসেবে গণমাধ্যমকে চিহ্নিত করে সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত ও ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান। বঙ্গভবনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি গণমাধ্যমের দায়িত্ব ও সুরক্ষা নিয়ে কথা বলেন
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণতন্ত্রের মূল শক্তি হিসেবে গণমাধ্যমকে চিহ্নিত করে সাংবাদিক সমাজের ঐক্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ারের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি গণমাধ্যমের ভূমিকা ও সাংবাদিকদের কল্যাণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণতন্ত্রের মূল শক্তি গণমাধ্যম — রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণতন্ত্রকে বাঁচাতে গণমাধ্যমকে সঠিক পথে পরিচালিত করার আহ্বান জানান।
- 📌 ১০০০ সাংবাদিকের কর্মসংস্থান — বন্ধ পত্রিকাগুলো পুনরায় চালু করলে অন্তত ১০০০ সাংবাদিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।
- 📌 সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও ঐক্য — সাংবাদিক সমাজে ঐক্য বজায় রাখা এবং অনিয়ম ও গণহারে সাংবাদিক ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
- 📌 গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা — রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে মন-মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে এবং কর্তৃত্ববাদী চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে হবে।
- 📌 বৈশ্বিক সংকটে গণমাধ্যমের ভূমিকা — মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধসহ বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বিষয়টি সঠিকভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমার সবচেয়ে দুঃসময়ে আপনারা আমার পাশে ছিলেন, যা আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি।” রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে একটি সংস্কৃতি হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, “একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে মন-মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে। পুরনো কর্তৃত্ববাদী চিন্তাভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “আন্দোলন করে পরিবর্তন আনার পরও যদি পুরনো মানসিকতা থেকে যায়, তাহলে প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব হবে না।”
রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বন্ধ হয়ে যাওয়া পত্রিকাগুলো বিশেষ করে ট্রাস্টের অধীনে থাকা পত্রিকাগুলো পুনরায় চালু করা গেলে অন্তত ১০০০ সাংবাদিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।” তিনি সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ঐক্য জরুরি, বিভক্তি কখনো সাফল্য এনে দিতে পারে না। আপনারা মৌলিক জায়গাগুলোতে এক হতে পারলে সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গেও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন।”
রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও অনিয়ম ও গণহারে সাংবাদিক ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন পরে একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের ভুল-ত্রুটিগুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভালো কাজগুলোকেও জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে।”
"গণতন্ত্র হচ্ছে একটা সংস্কৃতি। একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। সেজন্য মন-মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে। পুরনো কর্তৃত্ববাদী চিন্তাভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, হাসান হাফিজ, আইয়ুব ভূঁইয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ (সাংবাদিক কর্মসংস্থান), ০৮ সেপ্টেম্বর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!