📌 সরকারি চাকরির ভাইভা পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর নেতারা বিক্ষোভ মিছিল করে। তারা সরকারের নিয়োগ নীতিকে 'ভাইভা কার্ড' বলে সমালোচনা করে এবং বেকার যুবকদের পেটে লাথি মারার সতর্কবার্তা দেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়
সরকারি চাকরির ভাইভা পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতারা আজ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় বিক্ষোভ মিছিল করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান পথগুলো প্রদক্ষিণ করে মিছিল ডাকসু ভবনের সামনে শেষ হয়। বিক্ষোভের পর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ডাকসুর নেতারা সরকারের নিয়োগ নীতিকে 'ভাইভা কার্ড' বলে সমালোচনা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসুর নেতারা ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং ডাকসু ভবনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 বিক্ষোভে 'ভাইভার নামে প্রহসন, রুখে দাও জনগণ' ও 'চাকরি নিয়ে বাণিজ্য চলবে না' মতো স্লোগান দেন ডাকসু নেতারা
- 📌 ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বিএনপি সরকার ভাইভা কার্ডের মাধ্যমে মেধা-বঞ্চিতদের পেটে লাথি মারছে
- 📌 তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, '১৭ বছর বঞ্চিতদের প্রতিশোধ কি বেকার যুবকদের পেটে লাথি মারে নেওয়া হবে?'
- 📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যানার টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে আরিফুল ইসলামের মৃত্যু হয়
📰 বিস্তারিত
বিক্ষোভ মিছিলে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ সরকারের জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দাবি করেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর ছয়-সাত মাসে সরকারের বিভিন্ন ব্যর্থতা রয়েছে।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বিএনপির সংসদ সদস্যদের উদ্ধৃত করে বলেন, 'রিটেনটা কোনোভাবে পাস করো, ভাইভাতে আমরাই দেখছি।' তিনি এই উক্তিকে 'ভাইভা কার্ড' বলে সমালোচনা করে বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে টাকা, ঘুষ, চাঁদা, মামা-খালু এবং আত্মীয়স্বজনের পরিচয়ে চাকরি দেওয়া হবে।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, 'দেশে ২৭ লাখ বেকার আছে। তাদের পেটে বিএনপি সরকার লাথি মারবে।' তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও নিয়োগ-বাণিজ্যের ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন, 'আমরা এই পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেব, ইনশা আল্লাহ।'
বিক্ষোভের সময় ডাকসু নেতারা 'নব্য কোটার নাম কী, ভাইভা ছাড়া আর কী' ও 'দিকে দিকে খবর দে, ভাইভা কোটার কবর দে' মতো স্লোগান দেন। তারা দাবি করেন, যদি কোটা কার্ড বাতিল না হয়, তাহলে জুলাই বিপ্লবের মতো আরও শক্তিশালীভাবে প্রতিবাদ করা হবে।
"রিটেনটা কোনোভাবে পাস করো, ভাইভাতে আমরাই দেখছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও ডাকসু ভবন), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (শহীদ আব্দুর রব হল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, ডাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ, আরিফুল ইসলাম (মৃত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১-২০ গ্রেডের চাকরি, ৯ টা রাত, ২৭ লাখ বেকার, ১৭ বছর বঞ্চিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!