📌 প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা আইন অনুযায়ী যোগ্য হলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তিনি পুলিশ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন করে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দীন স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নিষেধাজ্ঞা না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া এবং আইন অনুযায়ী যোগ্যতা পূরণকারী প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সিইসি বলেছেন, ‘আইনে যাদের বাধা আছে, তারা পারবেন না। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিইসি নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের আইন অনুযায়ী যোগ্যতা থাকলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ‘পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
- 📌 ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও ফ্রি, ফেয়ার এবং অ্যাকসেপ্টেবল করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।
- 📌 পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার হয়েছে, স্থানীয় নির্বাচনেও একই মানদণ্ডে কাজ করা হবে বলে নাসির উদ্দীন দাবি করেন।
- 📌 ডিজিটাল মনিটরিং এবং রিয়েল টাইম ইন্টারভেনশন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে।
- 📌 স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল আগামী মাসেই ঘোষণা করা হতে পারে, তবে ধাপে ধাপে প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
রাজধানী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার পর ‘পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দীন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আইন অনুযায়ী যারা যোগ্য হবেন, তারা নির্বাচন করতে পারবেন। আইনে যাদের বাধা আছে, তারা পারবেন না। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে সুন্দর একটি নির্বাচন করার, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা। আমি আজকে যেটা বোঝাতে চেয়েছি যে এটা উনাদেরও সাংবিধানিক এবং আইনি দায়িত্ব।’
সিইসি বলেন, ‘আমাদের নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো রকমের কোনো বেআইনি নির্দেশনা ইলেকশনের সময়ে যাবে না। আমরা কোনো বেআইনি নির্দেশনা আমাদের থেকে দেব না।’ তিনি পুলিশ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আইজিপি দুই সপ্তাহের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের দায়িত্বটা শুরু করেছেন। আমি কনফিডেন্ট যে, আমাদের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে পুলিশ সার্ভিস, সব ল এনফোর্সমেন্টের ওপর মানুষের যে আস্থার সংকট ছিল, সেটা পুনরুদ্ধার হয়েছে।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা যায় যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনেক প্রার্থী থাকে। একই পরিবারের মধ্যেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। গ্রামগঞ্জে যাতে কোনো মারামারি বা সহিংসতা না হয়, সেটার জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেব।’ তিনি বলেন, ‘১৩তম জাতীয় নির্বাচনে যে অবস্থা ছিল, এখন সেটা পরিবর্তন হয়েছে। আমার পুলিশের ওপর আস্থা আছে। ডিজিটাল মনিটরিং, অনলাইন মনিটরিং থাকবে। রিয়েল টাইম মনিটরিং আমরা করব, যাতে আমরা ইমিডিয়েটলি ইন্টারভেন করতে পারি।’
"আমাদের নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো রকমের কোনো বেআইনি নির্দেশনা ইলেকশনের সময়ে যাবে না, একদম গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। আমরা কোনো বেআইনি নির্দেশনা আমাদের থেকে দেব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, রাজারবাগ পুলিশ লাইন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ সেপ্টেম্বর, ১২:৩০ টা, ১৩তম জাতীয় নির্বাচন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!