📌 দুদকের অনুসন্ধানকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হয়রানির অংশ বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ওঠা এবং দুদকের অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। আসিফ মাহমুদ জানান, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেছেন এবং এই ঘটনাটি বিএনপি সরকারের সময়ের
দুদকের অনুসন্ধানকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হয়রানির অস্ত্র হিসেবে দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং এই অনুসন্ধান রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদকের অনুসন্ধান রাজনৈতিক হয়রানির অংশ বলে অভিযোগ করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং এই অনুসন্ধান দুর্নীতি খুঁজে বের করার পরিবর্তে রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
- 📌 মিথ্যা অভিযোগের দাবি জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেছেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পদায়ন ও বদলি-সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগগুলো সবগুলোই মিথ্যা।
- 📌 পদত্যাগের প্রমাণ দিয়ে তিনি বলেছেন, তিনি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন এবং ১১ ডিসেম্বর তা গৃহীত হয়। এই ঘটনাটি ঘটেছিল বিএনপি সরকারের সময়ে।
- 📌 দুদকের সংস্কার ব্যর্থ বলে অভিযোগ করেছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দুদকের সংস্কার হয়েছিল, কিন্তু বিএনপি সরকারের সময়ে সেই সংস্কার বাতিল করা হয়েছে এবং আবার দলীয় কায়দায় দুদক গঠন করা হয়েছে।
- 📌 মিডিয়া ট্রায়ালের অভিযোগ করেছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেছেন, দুদকের মুখপাত্রের প্রাথমিক সত্যতার কথা বলার পর বক্তব্য পাবলিকলি উইথড্র না করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে উইথড্র করা হয়েছে। এতে তার মানহানি হয়েছে।
- 📌 নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে হয়রানি বলেছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি দাবি করেছেন, সরকারে থাকা অবস্থায় জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে তার ওপর ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দুদকের অনুসন্ধানকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হয়রানির অংশ বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং এই অনুসন্ধান দুর্নীতি খুঁজে বের করার পরিবর্তে রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পদায়ন ও বদলি-সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগগুলো সবগুলোই মিথ্যা। তিনি দাবি করেছেন, এই অনুসন্ধান আসলে অনুসন্ধান নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করা। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে যেভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়ন করা হতো, সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তারা আবার যাচ্ছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, যদি এই স্পেসিফিক ইস্যুতে অনুসন্ধান করতে হয়, তাহলে দুদককে অনুসন্ধান করতে হবে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে, তার বিরুদ্ধে না। তিনি বলেন, তিনি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন এবং ১১ ডিসেম্বর তা গৃহীত হয়। তিনি বলেন, এই ঘটনাটি ঘটেছিল বিএনপি সরকারের সময়ে এবং তিনি পদত্যাগের আগেই এই ঘটনাটি ঘটেছিল।
দুদকের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দুদকের সংস্কার হয়েছিল, কিন্তু বিএনপি সরকারের সময়ে সেই সংস্কার বাতিল করা হয়েছে এবং আবার দলীয় কায়দায় দুদক গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই দুদক আবারও রাজনৈতিক কায়দায় পরিচালিত হচ্ছে। আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করতেই এই অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।
দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে আসিফ মাহমুদ বলেন, দুদকের মুখপাত্র প্রাথমিক সত্যতার কথা বলার পর বক্তব্য পাবলিকলি উইথড্র না করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে উইথড্র করা হয়েছে। তিনি বলেন, এতে তার মানহানি হয়েছে এবং সারাদেশের মানুষের কাছে নিউজ গেল যে তার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, এটা স্পষ্টত একটা মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে ক্যারেক্টারাইজ করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে করা হয়েছে।
"আমি একদম ডকুমেন্ট দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি। এই স্পেসিফিক ঘটনাটা ঘটেছে বিএনপি সরকারের সময়ে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসারও তিন মাস পরে এবং বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় আগে আমি পদত্যাগ করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া (এনসিপি মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!