📌 গভীর প্রতিবাদে কুমিল্লা, রাজশাহী ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তারা স্লোগান দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, বৈষম্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য নয়, বরং দক্ষ প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
গভীর প্রতিবাদে বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ বুধবার শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে সরকারি চাকরির মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠিয়েছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বিক্ষোভের কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও অংশগ্রহণ করেছেন এবং বৈষম্য ও দলীয়করণের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বেলা ১১:৩০টায় মানববন্ধন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সন্ধ্যা ৬:৩০টায় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রাত ১০টায় বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
- 📌 শিক্ষার্থীরা ‘ভাইভা কোটার বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘মামা-খালুর সুপারিশ চলবে না’ এবং ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ বন্ধ কর’ স্লোগান দিয়েছেন।
- 📌 জাহেদ উর রহমান (প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা) বলেছেন, বৈষম্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য নয়, বরং দক্ষ প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করতে মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানো হয়েছে।
- 📌 বায়েজিদ হোসেন (কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী) বলেছেন, সরকার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে এবং ভাইভার নামে কোটা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
- 📌 হেলাল উদ্দিন (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) ও রফিক আল হাসান (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) বলেছেন, ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া যাবে না।
📰 বিস্তারিত
সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভের কর্মসূচি পালন করেছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় মানববন্ধন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেন। শিক্ষার্থীরা ‘ভাইভা কোটার বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর বিরুদ্ধে’, ‘মামা-খালুর সুপারিশ চলবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দিয়েছেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ফিরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেছেন, কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনের পর এবার ভাইভা নামের কোটা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারা দাবি করেছেন, মেধাবীরা বঞ্চিত হবেন এবং দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল রাত ১০টায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে তারা প্রধান ফটকে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেছেন, ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মেধাবীরা বঞ্চিত হবেন এবং দেশের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
“সরকারি চাকরিতে বৈষম্য ও দলীয়করণের মাধ্যমে ভাইভার নামে কোটা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বর্তমান সরকার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে।” — বায়েজিদ হোসেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহেদ উর রহমান, বায়েজিদ হোসেন, হেলাল উদ্দিন, রফিক আল হাসান, সৈয়দা নাজিফা নাফিল, সাইফুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, মুবাশশির আমিন, ইফতেহার উদ্দিন, নাহিদ হাসান, মো. সবুজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ থেকে ২০তম গ্রেড, ১১:৩০, ৬:৩০, ১০:০০, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!