📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে দাপ্তরিক নথিতে ‘মহামান্য-মাননীয়’ শব্দবন্ধ বিলুপ্ত: মন্ত্রিপরিষদের নতুন নির্দেশনা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে দাপ্তরিক নথিতে ‘মহামান্য-মাননীয়’ শব্দবন্ধ বিলুপ্ত: মন্ত্রিপরিষদের নতুন নির্দেশনা

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দবন্ধ ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন নির্দেশনা অনুসারে, এসব পদবীর আগে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা যাবে না। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন পরিপত্রে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা অতিবিলম্বে কার্যকর হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দাপ্তরিক যোগাযোগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দবন্ধের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।
  • 📌 রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগে এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করা যাবে না।
  • 📌 সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দাপ্তরিক নথিপত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে।
  • 📌 ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন পরিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাদের পদবীর আগে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা যাবে না। এই নির্দেশনা সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও তাদের অধীনস্থ দপ্তরকে লক্ষ্য করে জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, এই বিষয় অতিবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সকল দাপ্তরিক যোগাযোগে এই নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

এই পরিবর্তন সরকারের দাপ্তরিক যোগাযোগের শৈলীকে আরও সাদা ও সরল করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারি নথিপত্রে সম্মানসূচক শব্দবন্ধের ব্যবহার হ্রাসের মাধ্যমে যোগাযোগের প্রক্রিয়া আরও সুগম ও কার্যকর হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

"গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির পূর্বে যথাক্রমে মহামান্য ও মাননীয় কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖