📌 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, নতুন কারিকুলামে শ্রবণ ও কথন দক্ষতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভাষা শিক্ষাকে কেন্দ্রীয় করে নতুন পদ্ধতি চালু করা হবে
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ভাষা শিক্ষার নতুন দিগন্ত খুলেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আজ ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের শ্রবণ ও কথন দক্ষতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, শুধু পড়া-লেখা নয়, বরং শুনে বোঝা এবং সঠিকভাবে কথা বলার দক্ষতা গড়ে তোলা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **শ্রবণ ও কথন দক্ষতা** নতুন কারিকুলামের মূল কেন্দ্রবিন্দু: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
- 📌 **বৈশ্বিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার** নিশ্চিত করতে ভাষাগত দক্ষতা অর্জন জরুরি
- 📌 **শুনে বোঝার দক্ষতা** প্রাথমিক পর্যায়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আয়ত্তের মূল চাবিকাঠি
- 📌 **শিক্ষা ব্যবস্থায় বিপ্লব** আনতে ভিডিও, ডিজিটাল কনটেন্ট ও খেলা-কৌশল ব্যবহার করা হবে
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ** অনুযায়ী শিক্ষাকে দক্ষতাভিত্তিক ও ক্যারিয়ারমুখী করা হবে
📰 বিস্তারিত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আজ রাজধানীর ঢাকা প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ টিএমটিই সদস্য সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাষা শিক্ষার চারটি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে শ্রবণ ও কথন দক্ষতাকে বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শুধু সাক্ষরতার হার বাড়ানো নয়, প্রকৃত শিক্ষিত সমাজ গঠনের জন্য শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি।
ববি হাজ্জাজ আরও বলেছেন, ‘শুনে বোঝা, বলে প্রকাশ করা, পড়ে বোঝা এবং লিখে প্রকাশ করা’—এই চারটি দক্ষতার মধ্যে শ্রবণ ও কথন দক্ষতা প্রাথমিক পর্যায়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভাষা আয়ত্তের মূল চাবিকাঠি হলো শ্রবণ ও অনুশীলন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা উল্লেখ করে বলেছেন, শিক্ষা হবে সবার মৌলিক অধিকার এবং তা মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাকে দক্ষতাভিত্তিক, ক্যারিয়ারমুখী ও সুদৃঢ় নৈতিকতাসম্পন্ন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভাষা শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, শ্রেণিকক্ষে শুধু পাঠ্যবইনির্ভর পাঠদান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভিডিও, ওয়ার্কবুক, ডিজিটাল কনটেন্ট ও খেলার মাধ্যমে পাঠদান আরও আনন্দময় করতে হবে। সরকার ফলাফলনির্ভর সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক নীতিগত পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর।
"ভাষা শিক্ষার চারটি মৌলিক স্তম্ভ—শুনে বোঝা, বলে প্রকাশ করা, পড়ে বোঝা এবং লিখে প্রকাশ করা। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে শুনে বোঝার দক্ষতা তৈরি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, যেকোনো ভাষা আয়ত্ত করার মূল চাবিকাঠি হলো শ্রবণ ও অনুশীলন।"
সম্মেলনে টিএমটিই বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের উপপরিচালক মারিয়া রেহমান। অনুষ্ঠানে টিএমটিই বাংলাদেশের সদস্যসহ শিক্ষা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (ভাষা শিক্ষার মৌলিক দক্ষতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!