📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিলেটে নজরুলের শতবর্ষ উদযাপনে সিসিক প্রশাসকের প্রত্যাশা: দুই বাংলার সাংস্কৃতিক ঐক্য আরও দৃঢ় হবে

সিলেটে নজরুলের শতবর্ষ উদযাপনে সিসিক প্রশাসকের প্রত্যাশা: দুই বাংলার সাংস্কৃতিক ঐক্য আরও দৃঢ় হবে

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিলেটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট আগমনের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসন্ধ্যায় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করেছে। তিনি জানান, কবির স্মৃতি সংরক্ষণে সিটি করপোরেশন উদ্যোগ গ্রহণ করবে

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সময়ের কবি, বিদ্রোহের কবি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক। তাঁর সাহিত্য ও সংগীতের মাধ্যমে তিনি সাম্য, মানবতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের যে চেতনা তুলে ধরেছেন, তা আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সময়ের কবি, বিদ্রোহের কবি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক
  • 📌 তাঁর সাহিত্য ও সংগীত সাম্য, মানবতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চেতনা বহন করে
  • 📌 ১৯২৪ ও ১৯২৬ সালে তিনি সিলেট সফর করেন, যা সিলেটের সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
  • 📌 সিলেট সিটি করপোরেশন নজরুলের সিলেট আগমনের শতবর্ষ উদযাপনে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করবে
  • 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, সংগীতশিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস প্রমুখ

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণসন্ধ্যা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে। তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সিলেটের সম্পর্ক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি জানান, ১৯২৪ সালে প্রথমবার সিলেটে এসে নজরুল সিংহবাড়িতে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে ১৯২৬ সালেও তিনি সিলেট সফর করেন। তাঁর সিলেট আগমন শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়; এর সঙ্গে সিলেটের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি জানান, নজরুলের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন সিলেটবাসীর জন্য গৌরবের বিষয়। সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এ ঐতিহাসিক ঘটনাকে যথাযথভাবে স্মরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে সিলেটের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিক, শিল্পী, গবেষক ও নজরুলপ্রেমীদের নিয়ে একটি উদযাপন কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির মাধ্যমে কবির সিলেট আগমনের শতবর্ষকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

"নজরুলের জীবন ও দর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সম্প্রীতি ও মানবতা। ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সাম্যের যে বার্তা তিনি দিয়েছেন, বর্তমান সময়েও সেই চেতনার চর্চা অত্যন্ত জরুরি।"

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার মানুষের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে। তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী (সিসিক প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শতবর্ষ উদযাপন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖