📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টিএসসি ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের বিরুদ্ধে কর্মচারী পাচারের অভিযোগ: অফিসে অনুপস্থিতি ও ব্যক্তিগত কাজে নিয়োগের অভিযোগ

টিএসসি ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের বিরুদ্ধে কর্মচারী পাচারের অভিযোগ: অফিসে অনুপস্থিতি ও ব্যক্তিগত কাজে নিয়োগের অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টিএসসির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ফারজানা বাসারের বিরুদ্ধে কর্মচারীকে ব্যক্তিগত কাজে নিয়োগ ও অফিসে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। কর্মঘণ্টা অনুযায়ী তাঁর উপস্থিতি ছিল মাত্র তিন ঘণ্টা সাত মিনিট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ফারজানা বাসারের বিরুদ্ধে কর্মচারীকে ব্যক্তিগত কাজে নিয়োগ ও অফিসে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, অফিস সহায়ক রবিন হোসেন নিয়মিত টিএসসির অফিসে না গিয়ে পরিচালকের বাসায় কাজ করেন। এছাড়া হযরত আলী নামে এক ব্যক্তিকে টিএসসিতে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁকে পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টিএসসির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ফারজানা বাসারের বিরুদ্ধে কর্মচারীকে ব্যক্তিগত কাজে নিয়োগের অভিযোগ
  • 📌 অফিস সহায়ক রবিন হোসেন নিয়মিত পরিচালকের বাসায় কাজ করেন বলে অভিযোগ
  • 📌 হযরত আলী নামে এক ব্যক্তিকে টিএসসিতে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করানো হচ্ছে
  • 📌 ৫ জুলাই থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালকের অফিস উপস্থিতি ছিল মাত্র ১০০ ঘণ্টা (গড়ে দিনে ৩ ঘণ্টা ৭ মিনিট)
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয় আইনে কর্মচারীকে বাসায় কাজ করানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানান প্রো-ভিসি

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ফারজানা বাসারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, তিনি নিয়মিত টিএসসির কর্মচারী রবিন হোসেনকে তাঁর বাসায় ব্যক্তিগত কাজে নিয়োগ করেন। এছাড়া হযরত আলী নামে এক ব্যক্তিকে টিএসসিতে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁকে পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি অফিস সময়ে প্রায় নিয়মিতই অফিসে অনুপস্থিত থাকেন।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ৫ জুলাই থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ৩৫ কর্মদিবসের মধ্যে পরিচালকের মোট কর্মঘণ্টা ছিল মাত্র ১০০ ঘণ্টা। অর্থাৎ গড়ে তিনি দিনে মাত্র তিন ঘণ্টা সাত মিনিট অফিসে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে ১২ ও ১৪ জুলাই এবং ৬ আগস্ট অফিসে পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে পরিচালক ফারজানা বাসার প্রথমে বলেন, ‘অফিস টাইমে কেউ বাসায় কাজ করে না।’ পরে তিনি স্বীকার করেন যে কর্মচারীরা মাঝে মাঝে তাঁর বাসায় যান। তবে তিনি দাবি করেন, টিএসসির আগের প্রত্যেক পরিচালক অফিস থেকে ক্লিনার নিয়ে গেছেন বাসা পরিষ্কার করতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় আইনে কোনো কর্মচারীকে কারও বাসায় নিয়ে কাজ করানোর কোনো সুযোগ নেই। আর হযরত আলী যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী না হন, তাঁকে দিয়ে কোনো কাজ করানোর দায়িত্ব আমরা নিতে পারি না।’

‘টিএসসিতে কোনো বহিরাগত অবস্থান করতেও পারে না।’ — অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মোজাদ্দেদী আলফেছানী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টিএসসি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারজানা বাসার (টিএসসি ভারপ্রাপ্ত পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ ঘণ্টা (৫ জুলাই থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত কর্মঘণ্টা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖