📌 নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার রায়পুরা-নীলকুঠি সড়কের দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতার কারণে প্রায় ১৩ কিলোমিটার পথ জুড়ে পিচ উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরে গেছে। স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে উঠলেও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ পাওয়া যায়নি
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ রায়পুরা-নীলকুঠি সড়কের প্রায় ১৩ কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সম্পূর্ণ বেহাল হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পিচ উঠে যাওয়ায় সৃষ্ট খানাখন্দে ভরে গেছে পুরো সড়ক। ফলে যাতায়াতকারী মানুষ ও যানবাহনগুলো মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রায়পুরা থেকে নীলকুঠি পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার সড়কের পিচ উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরে গেছে
- 📌 মুছাপুর, মহেশপুর, রাজপ্রাসাদ, আশরাফপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ
- 📌 ভাঙাচোরা রাস্তায় ট্রাক্টর, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে
- 📌 উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, এমপির ডিও লেটারের মাধ্যমে সংস্কারের জন্য আবেদন করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রায়পুরা উপজেলার রায়পুরা-নীলকুঠি সড়কটি স্থানীয়দের জীবনযাত্রার অন্যতম প্রধান সংযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় পুরো সড়কটি এখন বিপর্যস্ত। পৌর রায়পুরা বাজারের পর থেকে শুরু করে ঝুগীবাড়ি, হাসান্নের মোড়, রাজপ্রাসাদ, আশরাফপুর, মহেশপুর, সাপমারা, মুছাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পিচ উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব গর্তে পানি ও কাদা জমে থাকায় যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মজনু মিয়া বলেন, ‘মুছাপুর, মহেশপুর, রায়পুরা ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। প্রায়ই গাড়ি গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে। ভাঙা রাস্তায় চলাচল করলে শরীর ব্যথা হয়ে যায়। দ্রুত রাস্তাটা ভালো করা দরকার।’ অটোরিকশাচালক আবদুর রহিম জানান, ‘বড় বড় গর্তে পানি জমে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। ভাঙা রাস্তায় গাড়ির যন্ত্রপাতি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়। কাদাপানি যাত্রীদের গায়ে ছিটকে পড়ে, এ কারণে অনেকে গাড়িতে উঠতে চান না।’
উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, ‘সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় মেরামতের জন্য এমপি মহোদয়ের ডিও লেটারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা যাবে।’
‘ভাঙাচোরা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়। আয়ও আগের তুলনায় কমে গেছে।’ — অটোরিকশাচালক আবদুর রহিম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রায়পুরা উপজেলা, নরসিংদী
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মজনু মিয়া, আবদুর রহিম, মো. রাকিবুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!