📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লিবিয়ার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরলেন দুই প্রবাসী বাংলাদেশি, বললেন ‘ভাতের জন্য কাঁদতাম’

লিবিয়ার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরলেন দুই প্রবাসী বাংলাদেশি, বললেন ‘ভাতের জন্য কাঁদতাম’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহায়তায় দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন বাংলাদেশি। দীর্ঘ ৪৫ দিন কারাবাসের পর বিমানে ভাত খেয়ে অভিভূত হয়েছেন মশিউর রহমান ও সোহেল মিয়া

লিবিয়ার ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘ ৪৫ দিন কারাবাসের পর আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় দেশে ফিরেছেন দুই বাংলাদেশি প্রবাসী। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। একই ফ্লাইটে মোট ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে ৪৫ দিন কারাবাসের পর দেশে ফিরেছেন দুই বাংলাদেশি প্রবাসী
  • 📌 বিমানে ভাত খেয়ে অভিভূত হন মশিউর রহমান ও সোহেল মিয়া
  • 📌 লিবিয়া যাওয়ার পথে দালালকে ৩২ লাখ টাকা দিতে হয়েছে তাঁদের পরিবারকে
  • 📌 তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে ৫০০ জনকে রাখা হতো যেখানে জায়গা ছিল সর্বোচ্চ ২০০ জনের
  • 📌 সেখানে নাইজেরিয়ান কর্মীদের দ্বারা অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন প্রবাসীরা

📰 বিস্তারিত

মশিউর রহমান ও সোহেল মিয়া নামের দুই প্রবাসী দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের পরনে ছিল নেভি-ব্লু ট্র্যাকস্যুট। দেখতে সাধারণ মনে হলেও তাঁদের সঙ্গে থাকা আইওএম-এর নীল ব্যাগ জানিয়ে দিচ্ছিল তাঁদের অসাধারণ অভিজ্ঞতার কথা। বিমানবন্দর থেকে গুলিস্তানগামী আজমেরী গ্লোরি বাসে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়।

মশিউর রহমানের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ দুধখালী গ্রামে। নিজের একটি খাবারের হোটেল ছিল তাঁর। পরোটা-শিঙাড়া তৈরিতে দক্ষ ছিলেন তিনি। তবে ছোট ভাই ইতালিতে থাকায় ইউরোপে যাওয়ার ইচ্ছা তাঁর প্রবল ছিল। পরিবারের অমতেই তিনি লিবিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। তাঁর যাত্রা ছিল নয় মাসের দীর্ঘ। গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে রওনা দিয়ে মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, কুয়েত ও মিসর হয়ে তিনি পৌঁছান লিবিয়ার আল-খমসে শহরে।

লিবিয়ায় তাঁকে তিন মাস একটি ‘গেম ঘরে’ রাখা হয়। সেখানে বিভিন্ন ধাপে ৩২ লাখ টাকা দিতে হয়েছে দালালকে। পরিবারের সদস্যরা চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এই টাকা জোগাড় করেন। অবশেষে তিন মাস আগে খমস থেকে কাঠের নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় লিবিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁকে নিয়ে আসা হয় তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে। সেখানে সর্বোচ্চ ২০০ জনের জায়গায় রাখা হয়েছিল ৫০০ জনকে। নাইজেরিয়ান কর্মীরা তাঁদের উপর চালাত অমানবিক নির্যাতন।

মশিউর বলেন, ‘লম্বা লম্বা পাইপ তাদের হাতে থাকত। সামান্য বিষয়েও প্রতিদিন মারধর করা হতো। খাবারের সময় কেউ না কেউ কান্না করত। বিশুদ্ধ পানির অভাবে কলের লোনাপানি খেয়ে তাঁদের দিন কাটাতে হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভাতের জন্য কাঁদতাম। চোখের পানির ফোঁটা গড়িয়ে পড়ত খাবারের বাটিতে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার, লিবিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মশিউর রহমান, সোহেল মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ দিন, ১৭৪ জন, ৩২ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖