📌 মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নির্বাচিত ২৫টি এজেন্সির মধ্যে ১৭টিরই অভিজ্ঞতা নেই। নতুন চক্রের কারণে কর্মীদের খরচ বেড়ে যেতে পারে ৬-৭ লাখ টাকা। প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি তালিকা থেকে মালয়েশিয়া নিজস্ব মানদণ্ডে এজেন্সি নির্বাচন করেছে
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নির্বাচিত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে মাত্র ৮টিরই পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাকি ১৭টি এজেন্সির কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও তাদের নির্বাচিত করা হয়েছে। ফলে কর্মীদের খরচ বেড়ে যেতে পারে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নির্বাচিত ২৫টি এজেন্সির মধ্যে ১৭টিরই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই।
- 📌 ভালুকা ওভারসিজ নামের এজেন্সির স্বত্বাধিকারী আবু সোহাগ খান জানান, তিনি আগে বিভিন্ন এজেন্সির নামে এক হাজারের বেশি কর্মী মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন।
- 📌 নতুন চক্রের কারণে কর্মীদের খরচ বেড়ে যেতে পারে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত।
- 📌 প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি তালিকা থেকে মালয়েশিয়া নিজস্ব মানদণ্ডে এজেন্সি নির্বাচন করেছে।
- 📌 অভিযোগ রয়েছে, মালয়েশিয়ার কর্মী নিয়োগ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করেন আমিন নূর, যিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ার নাগরিক।
📰 বিস্তারিত
২০২২ সালে রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স পাওয়া ভালুকা ওভারসিজ গত ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ২৩৫ জন কর্মী পাঠানোর ছাড়পত্র নিয়েছে। তবে এর মধ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার কোনো কর্মী নেই। অথচ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নির্বাচিত ২৫টি এজেন্সির তালিকায় রয়েছে এই প্রতিষ্ঠান। ভালুকা ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু সোহাগ খান জানান, তিনি আগে বিভিন্ন এজেন্সির নামে এক হাজারের বেশি কর্মী মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন।
রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সংগঠন বায়রার কয়েকজন সদস্য জানান, এবার আগের এজেন্সিগুলোর নাম নেই। তবে অপরিচিত এজেন্সির আড়ালে রয়েছে পুরোনো হোতাদের নতুন চক্র। ফলে কর্মীদের খরচ বেড়ে যেতে পারে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত। আগেরবার প্রত্যেক কর্মীর গড়ে ৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে জানা যায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ভেরিটে ইনকরপোরেটেডসহ পাঁচটি সংস্থার এক গবেষণায়।
অভিযোগ রয়েছে, মালয়েশিয়া থেকে কর্মী পাঠানোর পুরো বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন আমিন নূর। বাংলাদেশে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন বায়রার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন ওরফে স্বপন। তাঁরা দুজন মিলে নির্ধারণ করেছেন, চক্রে কারা থাকবে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে বিদেশে আত্মগোপন করে আছেন স্বপন।
"৪২৩টি এজেন্সির তালিকা অন্তর্বর্তী সরকার পাঠিয়েছে। তা থেকে মালয়েশিয়া তাদের মতো বাছাই করে ২৫টিকে চূড়ান্ত করেছে। এর সঙ্গে সরকারের অনুরোধে সহযোগী হিসেবে ৩৩৮টি এজেন্সিকে সুযোগ দিয়েছে মালয়েশিয়া। সব মিলে এটা আগের চেয়ে ইতিবাচক হয়েছে। কম খরচে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। আর যদি পাচার বা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কোনো এজেন্সি তালিকায় থাকে, সেটি মালয়েশিয়াকে জানানো হবে। তাদের লাইসেন্সও প্রত্যাহার করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নুরুল হক (প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী), আবু সোহাগ খান (ভালুকা ওভারসিজ), আমিন নূর, রুহুল আমিন ওরফে স্বপন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (এজেন্সি), ১৭ (অভিজ্ঞতাহীন এজেন্সি), ২৩৫ (কর্মী), ৬-৭ লাখ টাকা (খরচ), ৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা (গড় খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!