📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ অনিয়মিত বাংলাদেশি, পেলেন সহায়তা

লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ অনিয়মিত বাংলাদেশি, পেলেন সহায়তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর যৌথ উদ্যোগে বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা দেশে প্রত্যাবাসিত হন। অভিবাসন ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে

লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৭ মিনিটে ‘বুরাক এয়ার’-এর বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাঁদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি
  • 📌 মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৭ মিনিটে বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা দেশে প্রত্যাবাসিত হন
  • 📌 পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর যৌথ উদ্যোগে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়
  • 📌 প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন
  • 📌 তাঁদের অনেকেই লিবিয়ায় অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন

📰 বিস্তারিত

লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর যৌথ উদ্যোগে লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় তাঁদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৭ মিনিটে ‘বুরাক এয়ার’-এর বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁদের অনেকেই লিবিয়ায় অবস্থানকালে বিভিন্ন সময় অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আইওএম-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিত নাগরিকদের অভ্যর্থনা জানান।

অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিবিয়ায় অর্জিত বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছে তুলে ধরতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ফেরত আসা নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) পক্ষ থেকে দেশে ফেরা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের যাতায়াত খরচ, জরুরি খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী বাসস্থানের সহায়তা প্রদান করা হয়।

"লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে বন্দী থাকা অন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আইওএম নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লিবিয়া থেকে বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রত্যাবাসিত ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ জন, ৯টা ৪৭ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖