📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

থাইল্যান্ডের উচ্চফলনশীল তরমুজ চাষে সিরাজগঞ্জের কৃষকের সাফল্য

থাইল্যান্ডের উচ্চফলনশীল তরমুজ চাষে সিরাজগঞ্জের কৃষকের সাফল্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 থাইল্যান্ডের উচ্চফলনশীল ‘কানিয়া’ জাতের তরমুজ চাষ করে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার কৃষক হাসিবুর রহমান লাভবান হয়েছেন। মালচিং পেপার ও মাচা পদ্ধতিতে চাষ করে তিনি প্রতি বিঘায় এক লাখ টাকার বেশি আয় করার আশা করছেন

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামের কৃষক হাসিবুর রহমান (৪০) থাইল্যান্ডের উচ্চফলনশীল ‘কানিয়া’ জাতের তরমুজ চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। তিন বছর আগে এনডিপির সহযোগিতায় মাত্র ১০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে তরমুজ চাষ শুরু করেন তিনি। প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় এবার প্রায় ২০ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কৃষক হাসিবুর রহমান থাইল্যান্ডের ‘কানিয়া’ জাতের তরমুজ চাষে সাফল্য অর্জন করেছেন।
  • 📌 প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় এবার প্রায় ২০ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি।
  • 📌 তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা, লাভের আশা এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা।
  • 📌 প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে।
  • 📌 আগামীতে প্রায় ৪৮ থেকে ৫০ মণ তরমুজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

তিন বছর আগে এনডিপির সহযোগিতায় মাত্র ১০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে থাইল্যান্ডের উচ্চফলনশীল ‘কানিয়া’ জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেন হাসিবুর রহমান। প্রথমবারেই খরচ বাদ দিয়ে লাভ হওয়ায় তাঁর তরমুজ চাষে আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। এবার মুগবেলাই উত্তরপাড়ায় প্রায় ২০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যাসহ তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

হাসিবুর রহমান জানান, তাঁর খেতে প্রায় ৪৮ থেকে ৫০ মণ তরমুজ উৎপাদন হতে পারে। বর্তমানে প্রতি কেজি ‘কানিয়া’ তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলন ও বাজারদর ভালো থাকলে এবার এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘তরমুজ দেখতে সুন্দর, খেতেও রসালো ও মিষ্টি। বাজারে চাহিদা ভালো, দামও পাওয়া যায়। তাই অল্প সময়ে ভালো লাভ করা সম্ভব।’

তবে শুরুতে কৃষি অফিস থেকে তেমন সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন হাসিবুর। তিনি মাঠপর্যায়ে কারিগরি পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ বাড়ানোর দাবি জানান। কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন বলেন, ‘হাসিবুরের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আধুনিক মালচিং ও মাচা পদ্ধতিতে তিনি ভালো ফলন পেয়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।’

"তরমুজ দেখতে সুন্দর, খেতেও রসালো ও মিষ্টি। বাজারে চাহিদা ভালো, দামও পাওয়া যায়। তাই অল্প সময়ে ভালো লাভ করা সম্ভব।" — হাসিবুর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুগবেলাই গ্রাম, কামারখন্দ উপজেলা, সিরাজগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসিবুর রহমান (কৃষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর, ১০ শতাংশ, ২০ শতাংশ, ৩০ হাজার টাকা, ৪৮ থেকে ৫০ মণ, ৬০ থেকে ৭০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖