📌 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোয় অনুষ্ঠিত জিইসিএফ সম্মেলনে বলেছেন, ইউরোপের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্যাসবাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে এবং তাদের শিল্প-সামাজিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি রাশিয়া বাদ দিয়ে গ্যাসবাজার থেকে বের হওয়ার পরিণতি নিয়ে সতর্ক করেছেন
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোয় অনুষ্ঠিত জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরামের (জিইসিএফ) অষ্টম সম্মেলনে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেছেন, ইউরোপের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্যাসবাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে এবং তাদের শিল্প ও সামাজিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি রাশিয়া বাদ দিয়ে গ্যাসবাজার থেকে বের হওয়ার পরিণতি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুতিন বলেছেন, রাশিয়া বাদ দিয়ে গ্যাসবাজার থেকে বের হওয়ার পরিণতি অত্যন্ত গুরুতর এবং ইউরোপের নিজস্ব সিদ্ধান্ত তাদের শিল্প-সামাজিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
- 📌 ইউরোপের গ্যাসের ব্যয় অত্যধিক বেড়ে গেছে এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও পরিবারগুলোর জন্য অর্থনৈতিক বোঝা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে উত্তেজনা, পাইপলাইন বিস্ফোরণ এবং সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে বৈশ্বিক গ্যাসশিল্পে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।
- 📌 পুতিন পাইপলাইন বিস্ফোরণকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রে কিছু দেশের বাধা সৃষ্টির কথা উল্লেখ করেছেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, গ্যাসের দাম দ্রুত বেড়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক বিনিয়োগ পরিকল্পনা স্থগিত বা বাতিল হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বাজারে ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করবে।
- 📌 পুতিন জিইসিএফের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিনিময় ব্যবস্থা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন এবং এলএনজি অবকাঠামোতে বিনিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
📰 বিস্তারিত
মস্কোয় অনুষ্ঠিত জিইসিএফ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৈশ্বিক গ্যাসবাজারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়া বাদ দিয়ে গ্যাসবাজার থেকে বের হওয়ার প্রচেষ্টা ইউরোপের শিল্প ও সামাজিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ইউরোপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, রাশিয়ার জ্বালানি বর্জন এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ভেঙে ইউরোপ নিজেই তার শিল্প ও সামাজিক ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানছে।
পুতিন একটি রুশ প্রবাদ উল্লেখ করে বলেন, ‘অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে শেষ পর্যন্ত নিজেকেই তাতে পড়তে হয়’। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, পাইপলাইন বিস্ফোরণ এবং সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে বৈশ্বিক গ্যাসশিল্পে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। পাইপলাইনগুলোতে বিস্ফোরণকে তিনি সরাসরি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি কেনার ক্ষেত্রে কয়েকটি দেশের বাধা সৃষ্টি হয়েছে। গ্যাসের দাম দ্রুত বেড়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক বিনিয়োগ পরিকল্পনা স্থগিত, পিছিয়ে দেওয়া বা বাতিল করা হচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে বাজারে ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। পুতিনের মতে, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নই বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা।
"বৈশ্বিক গ্যাসবাজার থেকে রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার যে কোনো প্রচেষ্টার গুরুতর পরিণতি রয়েছে। এর ফলে বিদেশি ভোক্তাদের গ্যাসের ব্যয় অত্যধিক বেড়ে যায়। ইউরোপের নিজস্ব সিদ্ধান্তই তাদের শিল্প ও সামাজিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মস্কো (জিইসিএফ সম্মেলন), ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (সম্মেলনের তারিখ), ২৮ অক্টোবর (প্রকাশিত তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!