📌 ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ (ডিএসি) ২২.২৭ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে। এতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক সরঞ্জাম, হেলিকপ্টার, ড্রোন ও রাডারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশীয় শিল্পের ৮২% সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ (ডিএসি) ২২.২৭ বিলিয়ন ডলারের (২ লাখ ১২ হাজার কোটি রুপি) বিশাল সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার (২৬ অক্টোবর) জানিয়েছে, এই ক্রয়ের ৮২% সরঞ্জাম দেশীয় শিল্প থেকে সরবরাহ করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২২.২৭ বিলিয়ন ডলারের** সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন ভারতের ডিএসি কর্তৃক
- 📌 **২ লাখ ১২ হাজার কোটি রুপি** (২২.২৭ বিলিয়ন ডলার) বরাদ্দ করা হয়েছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর জন্য
- 📌 **৮২% সরঞ্জাম** দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প থেকে কেনা হবে
- 📌 **আধুনিক হেলিকপ্টার, ড্রোন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, স্বয়ংক্রিয় বন্দুক**সহ ১৫টি প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত
- 📌 **সেনাবাহিনী** পাবে হাই-মোবিলিটি ভেহিকল ও স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকড গান সিস্টেম
- 📌 **বিমানবাহিনী** পাবে ইউটিলিটি হেলিকপ্টার ও মোবাইল এক্স-ব্যান্ড ডপলার রাডার
- 📌 **নৌবাহিনী** পাবে অ্যাকটিভ অফবোর্ড ডিকয় সিস্টেম (এওডিএস) শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে
- 📌 **ড্রোন** ব্যবহার হবে নজরদারি, যুদ্ধ, তল্লাশি ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে
📰 বিস্তারিত
ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ (ডিএসি) ২৮ অক্টোবর (রোববার) সকাল ১:৩০ মিনিটে ২২.২৭ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ক্রয়ের ৮২% সরঞ্জাম দেশীয় শিল্প থেকে সরবরাহ করা হবে, যা দেশীয় প্রতিরক্ষা খাতের স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
ক্রয়ের তালিকায় রয়েছে আধুনিক হেলিকপ্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, দূরপাল্লার ড্রোন, স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকড গান সিস্টেম, হাই-মোবিলিটি ভেহিকল, কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থা এবং মোবাইল এক্স-ব্যান্ড ডপলার রাডার। সেনাবাহিনী পাবে উচ্চ-গতিসম্পন্ন বিশেষ যানবাহন, যা কঠিন ও দুর্গম ভূখণ্ডে যাতায়াত ও রসদ সরবরাহ সহজতর করবে। অন্যদিকে, বিমানবাহিনী পাবে ইউটিলিটি হেলিকপ্টার এবং আবহাওয়ার উচ্চ-রেজোলিউশন তথ্য পেতে মোবাইল রাডার। নৌবাহিনীর জন্য অনুমোদিত হয়েছে অ্যাকটিভ অফবোর্ড ডিকয় সিস্টেম (এওডিএস), যা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে জাহাজ রক্ষা করবে।
এছাড়া, দূরপাল্লার ড্রোনগুলো সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী উভয়েই ব্যবহার করবে। এসব ড্রোন নজরদারি, সরাসরি যুদ্ধ, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগকালীন ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ক্রয় সিদ্ধান্তে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের স্বনির্ভরতা আরও মজবুত হবে এবং দেশের সামরিক ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
"অনুমোদিত এসব সামরিক সরঞ্জামের প্রায় ৮২ শতাংশই সংগ্রহ করা হবে দেশীয় শিল্পের কাছ থেকে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় প্রতিরক্ষা শিল্প খাত আরও বেশি স্বনির্ভর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ (ডিএসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২.২৭ বিলিয়ন ডলার (২ লাখ ১২ হাজার কোটি রুপি)
- 🔢 সরঞ্জামের শতাংশ: ৮২%
- 🔢 অনুমোদিত তারিখ: ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!