📌 চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন ১০ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। গত এক বছরে ২ লাখ গাছ লাগানো হয়েছে এবং নগরকে সবুজ ও সৌন্দর্যশীল করে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে ১০ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য দ্রুতগতিতে কাজ শুরু করেছে। প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন বিষয়ক সমন্বয় সভায় এই নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রামে এই লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ১০ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন
- 📌 গত এক বছরে বিমানবন্দর থেকে মোহরা এবং সিটি গেট থেকে কর্ণফুলী পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ গাছ লাগানো হয়েছে
- 📌 দেওয়ানহাট থেকে বারিক বিল্ডিং মধ্যবর্তী সড়কদ্বীপে ১০ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় গাছ (জারুল, সোনালু, রাধাচূড়া, কামিনী, কাঞ্চন, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ, শিউলি) লাগানো হয়েছে
- 📌 সৌন্দর্যবর্ধন ও সাইকেলবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে সাইকেল লেন স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে
- 📌 নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে (ফিরিঙ্গিবাজার সড়ক, কর্ণফুলী পার্ক, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, চট্টগ্রাম কলেজের সামনের সড়ক) সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত সব মিড-আইল্যান্ডকে ফুল ও সবুজে ভরিয়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়াও সড়কের সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি খালি জায়গা, পার্ক ও উন্মুক্ত স্থানে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, এয়ারপোর্ট রোডের সৌন্দর্যবর্ধন নগরবাসীদের প্রশংসা অর্জন করেছে এবং মানুষ সেখানে ছবি তুলছেন ও সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
প্রশাসক বলেন, ফিরিঙ্গিবাজার সড়ক, কর্ণফুলী পার্কসংলগ্ন গোলচত্বর, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার এক্সেস রোড, চট্টগ্রাম কলেজ ও সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের সামনের সড়কসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোকে পরিকল্পিতভাবে দৃষ্টিনন্দন করা সম্ভব। তিনি বলেন, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। বড় অর্থ ব্যয় করলেই সুন্দর হবে না, সঠিক পরিকল্পনা ও নকশার মাধ্যমে আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকেও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার জন্য প্রশাসক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব নগর গড়ে তোলার জন্য সাইকেলবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টি পরিকল্পনায় রাখতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংলগ্ন সড়ক ও গোলচত্বরগুলোও প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজাতে হবে।
"এ লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে নগরীতে ১০ লাখ গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১ বছরে বিমানবন্দর থেকে মোহরা এবং সিটি গেট থেকে কর্ণফুলী পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ গাছ লাগানো হয়েছে। আগামী ১ বছরের মধ্যে নগরীতে ১০ লাখ গাছ রোপণের যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের আরো দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শাহাদাত হোসেন (চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ গাছ (লক্ষ্য), ২৫ কোটি গাছ (দেশব্যাপী লক্ষ্য), ২ লাখ গাছ (গত ১ বছরে লাগানো)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!