📌 জনবল সংকটে দীর্ঘ এক যুগ ধরে বন্ধ সিলেট-আখাউড়া রেলপথের সাতটি স্টেশন। ঝোপজঙ্গলে ঢাকা স্টেশনগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে, ট্রেনের সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে। রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অবকাঠামো পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন
জনবল সংকটের কারণে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে সিলেট অংশের সাতটি স্টেশন বন্ধ রয়েছে। পরিত্যক্ত স্টেশনগুলো এখন ঝোপজঙ্গলে ঢেকে গেছে এবং রেলের মূল্যবান জমি দখলের ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় যাত্রীদের দূরের স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে হচ্ছে, যা ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। স্টেশন বন্ধ থাকায় ট্রেন চলাচলে ক্রসিং ব্যবস্থায় জটিলতা দেখা দিচ্ছে এবং সময়ক্ষেপণ হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে সিলেট অংশের সাতটি স্টেশন বন্ধ রয়েছে।
- 📌 বন্ধ স্টেশনগুলো হলো মনু, টিলাগাঁও, ভাটেরা, লংলা, ছকাপন, লস্করপুর ও ফেঞ্চুগঞ্জ।
- 📌 স্টেশনগুলো জনমানবশূন্য হয়ে ঝোপজঙ্গলে ঢেকে গেছে এবং রেলের জমি দখল হয়ে যাচ্ছে।
- 📌 স্টেশন বন্ধ থাকায় ট্রেন চলাচলে ক্রসিং ব্যবস্থায় জটিলতা ও সময়ক্ষেপণ ঘটছে।
📰 বিস্তারিত
সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে সিলেট অংশের সাতটি স্টেশন দীর্ঘ এক যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে। স্টেশনগুলো মনু, টিলাগাঁও, ভাটেরা, লংলা, ছকাপন, লস্করপুর ও ফেঞ্চুগঞ্জ নামে পরিচিত। পরিত্যক্ত স্টেশনগুলো এখন ঝোপজঙ্গলে ঢেকে গেছে এবং রেলের মূল্যবান জমি দখলের ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় যাত্রীদের দূরের স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে হচ্ছে, যা ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।
স্টেশন বন্ধ থাকায় ট্রেন চলাচলে ক্রসিং ব্যবস্থায় জটিলতা দেখা দিচ্ছে। পূর্বে শমশেরনগর থেকে কুলাউড়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের সময় মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোতে ক্রসিং দেওয়া হতো। কিন্তু স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় এখন শমশেরনগর অথবা কুলাউড়া স্টেশনে দাঁড়িয়েই ক্রসিং নিতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই ট্রেনের সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকার বাসিন্দা আলী আহমেদ বলেন, ‘আমাদের স্টেশন চালু না থাকায় বাসে করে দূরবর্তী গন্তব্যে চলাচল করতে হয়। বিশেষ করে ট্রেনের জন্য সিলেটে যেতে হয়। স্টেশন চালু হলে পুরো এলাকায় প্রাণ ফিরে আসবে।’ টিলাগাঁও স্টেশন এলাকার বাসিন্দা সোলেমান আহমেদ বলেন, ‘এই স্টেশন আগে চালু ছিল। এখানে নিয়মিত ট্রেন থামত। মেইল ট্রেন চালু থাকা অবস্থায় এখানে থামতে। এই ট্রেন ইঞ্জিন সংকটে বন্ধ হওয়ার পর আর কোনো ট্রেন থামেনি।’
‘জনবলসংকটের কারণে সিলেট-আখাউড়া রেলপথের বেশ কিছু স্টেশন বন্ধ রয়েছে। জনবল নিয়োগ হলে পর্যায়ক্রমে সেগুলো চালু করা হবে।’ — আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো), বাংলাদেশ রেলওয়ে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট জেলা, হবিগঞ্জ জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!