📅 ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জুলাইয়ে এডিপি বাস্তবায়নে ব্যর্থ ১০ মন্ত্রণালয়, ব্যয়হীন বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি টাকা

জুলাইয়ে এডিপি বাস্তবায়নে ব্যর্থ ১০ মন্ত্রণালয়, ব্যয়হীন বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি টাকা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসে এডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ছয় নয় শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে। দশটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এক টাকাও ব্যয় করতে পারেনি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমইডি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ব্যাপক ধীরগতি দেখা গেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ মাসে এডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ছয় নয় শতাংশ ব্যয় হয়েছে। গতকাল সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, দশটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের পুরো বরাদ্দের এক টাকাও ব্যয় করতে পারেনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জুলাইয়ে এডিপির ব্যয়ের হার ছিল শূন্য দশমিক ছয় নয় শতাংশ
  • 📌 দশটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ব্যয় করতে পারেনি এক টাকাও
  • 📌 চলতি অর্থবছরের এডিপির মোট আকার ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা
  • 📌 জুলাইয়ে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১২১ কোটি ১৮ লাখ টাকা
  • 📌 স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বরাদ্দ ৬ হাজার ১৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা হলেও ব্যয় শূন্য

📰 বিস্তারিত

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে এডিপির মোট আকার ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাই মাসে ব্যয় হয়েছে মাত্র ২ হাজার ১২১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ পুরো মাসের ব্যয়ের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ছয় নয় শতাংশ। একই সময়ে গত অর্থবছরের জুলাই মাসেও ব্যয়ের হার ছিল শূন্য দশমিক ছয় নয় শতাংশ। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাইয়ে এই হার ছিল এক দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এক দশমিক দুই সাত শতাংশ। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে প্রথম মাসের ব্যয়ের হার প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই মাসে এক টাকাও ব্যয় করতে পারেনি এমন দশটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, সেতু বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংসদবিষয়ক সচিবালয়। এছাড়া বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তার তিনটি খাত—পরিকল্পনা বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকেও কোনো ব্যয় হয়নি।

শূন্য ব্যয় থাকা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বরাদ্দ ছিল ৬ হাজার ১৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ৫ হাজার ৪৯৯ কোটি ১২ লাখ টাকা এবং সেতু বিভাগের ২ হাজার ৫৯৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে পরিকল্পনা বিভাগের বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তার বরাদ্দ ছিল ৩৬ হাজার ২৭৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

"প্রথম মাসে ব্যয় কম হওয়া নতুন কিছু নয়। তবে দশটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের একেবারে ব্যয় না হওয়া উদ্বেগের বিষয়। এতে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এডিপির আকার বড় করলেই উন্নয়ন হবে না; বাস্তবায়ন সক্ষমতাই গুরুত্বপূর্ণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ড. জাহিদ হোসেন
  • 🔢 ব্যয়হীন বরাদ্দ: ৩৬ হাজার ২৭৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা
  • 🔢 ব্যয়ের হার: শূন্য দশমিক ছয় নয় শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖