📌 যশোরের শার্শায় বিদ্যুৎ বিভাগ দাবি করেছে, মাছ মরার ঘটনা ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’। জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ক্ষতির পরিমাণ সাড়ে ১৫ কোটি টাকা দাবি করেছেন ঘের মালিকরা
যশোরের শার্শা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভাগ দাবি করেছে যে, লোডশেডিংয়ের কারণে মাছ মরার ঘটনা ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’। একইসঙ্গে জেলা প্রশাসন ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের শার্শা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভাগ দাবি করেছে, মাছ মরার ঘটনা ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’
- 📌 জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত ঘেরটির মালিকরা দাবি করেছেন, প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার মাছ মারা গেছে
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, ঘটনার দিন মাত্র ৪০ মিনিট বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল
📰 বিস্তারিত
গত ২১ আগস্ট রাত ১টার দিকে শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রায়পুর-সোনামুখো বিলে অবস্থিত ‘এএফ মৎস্য খামারে’ মাছের মড়ক শুরু হয়। পরদিন সকালে ঘেরের পানিতে বিপুলসংখ্যক মৃত মাছ ভেসে উঠতে দেখা যায়। ঘের মালিক আলফাজুল হক ও ফারুক হোসেন জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ঘেরে অক্সিজেন সরবরাহের যন্ত্র চালানো সম্ভব হয়নি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত কমে যায়, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিপুলসংখ্যক মাছ মারা যায়।
ঘের মালিকদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ২০০ বিঘা আয়তনের ঘেরে প্রায় ৬০ লাখ পাবদা মাছ চাষ করা হয়েছিল। প্রতি ১৫টি পাবদা মাছের ওজন প্রায় এক কেজি ধরে মোট উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার মণ। প্রতি মণ মাছের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা হিসেবে পাবদা মাছের মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। অন্যান্য প্রজাতির মাছসহ মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন তারা।
তবে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান এই দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘেরে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের কোনো মিল নেই। বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার কারণে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ঘটনার দিন মাত্র ৪০ মিনিট বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল। একই বিতরণ লাইনে আরও ১২টি মৎস্য ঘের রয়েছে; সেখানে কোনো ধরণের সমস্যা হয়নি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শার্শা উপজেলা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলফাজুল হক, ফারুক হোসেন, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ক্ষতির পরিমাণ সাড়ে ১৫ কোটি টাকা, ঘটনার দিন ৪০ মিনিট বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!