📅 ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির তাণ্ডবে ক্ষোভে কলকাতায় পাল্টা মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির তাণ্ডবে ক্ষোভে কলকাতায় পাল্টা মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির তাণ্ডবের প্রতিবাদে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ মিছিল ও পাল্টা মিছিল করেছে বিজেপিপন্থী বুদ্ধিজীবীরা। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি জানানো হয় দ্রুত গ্রেপ্তারের

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বুধবার রাতে বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর নেতাকর্মীরা তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বহিরাগতদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক ভেঙে প্রবেশ করে তারা বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পোস্টার ও ব্যানার পুড়িয়ে দেয় এবং ক্যাম্পাসে ভাঙচুর চালায়। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে থাকা প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর আঁকা মূল প্রতীকও ভেঙে ফেলা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঘটনার ৩৭ ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাদবপুর থানায় এফআইআর দায়ের করে
  • 📌 ঘটনার ছয় দিনেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি
  • 📌 যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বামপন্থী ছাত্র ও যুব সমাজ
  • 📌 পাল্টা মিছিল করেছে বিজেপিপন্থী সংগঠন ‘সচেতন নাগরিক ও প্রবুদ্ধ সমাজ’
  • 📌 রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাল্টা বক্তব্য

📰 বিস্তারিত

গত বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক ভেঙে প্রবেশ করে। তারা বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পোস্টার ও ব্যানার পুড়িয়ে দেয় এবং ক্যাম্পাসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে থাকা চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর আঁকা মূল প্রতীকটিও ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা বামপন্থী সংগঠনগুলো কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা নেয়নি। ঘটনার প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাদবপুর থানায় এফআইআর দায়ের করে।

তবে ঘটনার ছয় দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ঘটনার ভিডিও ফুটেজে হামলাকারীদের স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা গেলেও পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলোর মধ্যে। ভারতের অন্যতম প্রধান বামপন্থী ভাবাপন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হলেও এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বামপন্থী ছাত্র ও যুব সমাজ।

এই তাণ্ডবের প্রতিবাদে গত সোমবার কলকাতায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনগুলো। এসএফআই, ডিওয়াইএফআই, ডিএসও, এআইডিএসও ও এআইএসএসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলটি শিয়ালদহ থেকে শুরু হয়ে কলেজ স্ট্রিটে শেষ হয়। মিছিল থেকে অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবিভিপি নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয় এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

অন্যদিকে একই দিনে পাল্টা প্রতিবাদ মিছিল করেছে বিজেপিপন্থী বুদ্ধিজীবীদের সংগঠন ‘সচেতন নাগরিক ও প্রবুদ্ধ সমাজ’। ‘শিক্ষা বাঁচাও, বিশ্ববিদ্যালয় বাঁচাও’ স্লোগান নিয়ে দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়া থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেট হয়ে এইট-বি বাসস্ট্যান্ডে শেষ হয়। মিছিলকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমিউনিস্ট চক্রান্ত’ বন্ধ করে শান্তি ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডবের ঘটনায় মামলা দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে আমরা আশা করছি পুলিশ এ ব্যাপারে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’ — যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বুদ্ধদেব সাহু

এদিকে যাদবপুরের এই সহিংসতার ঘটনা তদন্তে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য শুভংকর সরকারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তিনি সেই দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরা তাণ্ডব চালিয়েছে। এখন মানুষ বুঝে গেছে বিজেপি কেমন দল।’ পাল্টা বক্তব্যে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ওরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসিটিভি বসাতে দেয় না। যারা ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস আর ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন করতে দেয় না, এবার এখানেই ভারতীয় সংস্কৃতির জাগরণ ঘটবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, বুদ্ধদেব সাহু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ ঘণ্টা, ৬ দিন, ৪ নম্বর গেট, ২৬ জানুয়ারি, ১৫ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖