📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে আবারো টাকা গণনা শুরু, ৩৪ দিনের বিরতি শেষ

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে আবারো টাকা গণনা শুরু, ৩৪ দিনের বিরতি শেষ

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা ৩৪ দিনের বিরতির পর আবার শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন এই গণনার সময়।

শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা ৩৪ দিনের বিরতির পর আবার শুরু হয়েছে। সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এই গণনার সময়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হয়েছে, যা ১৫ আগস্টের পর ৩৪ দিনের বিরতির পর
  • 📌 উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা
  • 📌 মাদরাসার শিক্ষার্থী, মাজার কমিটির লোকজন ও জেলা প্রশাসনের কর্মচারীরাও গণনার অংশগ্রহণ করেছেন
  • 📌 সর্বশেষ ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় খোলা দানবাক্স থেকে পাওয়া হয়েছিল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা
  • 📌 প্রথম দফায় ২২ জুন খোলা দানবাক্স থেকে পাওয়া হয়েছিল ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা
  • 📌 দ্বিতীয় দফায় ১১ জুলাই খোলা দানবাক্স থেকে পাওয়া হয়েছিল ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা

📰 বিস্তারিত

১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা আবার শুরু হয়েছে। এই গণনা শুরু হওয়ার আগে ১৫ আগস্টের পর ৩৪ দিনের বিরতি ছিল। সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মাদরাসার শিক্ষার্থী, মাজার কমিটির লোকজন ও জেলা প্রশাসনের কর্মচারীরাও এই গণনার অংশগ্রহণ করেছেন।

৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২২ জুন প্রকাশ্যে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়েছিল। ওই দিন মাজারের চারটি দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা চারটি দানবাক্স ডাবল লক অবস্থায় খোলা হয়েছিল। সেখান থেকে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। পাশাপাশি ৭ আনা স্বর্ণালঙ্কার ও ২টি সৌদি রিয়াল পাওয়া যায়। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ফান্ড থেকে সাবেক ডিসি সারওয়ার আলম আরও ৫ লাখ টাকার চেক দেন। মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা।

১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হয়। এই সময় পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। এছাড়াও পাওয়া যায় ১৩৫ সৌদি রিয়াল, ২ হাজার ৫৩২ ভারতীয় রুপি, ৫৪ দশমিক ২ দিরহাম, ওমানের ১ দিনার ৪৫০ পয়সা, ৪ হাজার ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া, ২০ মার্কিন ডলার, ২০ হংকং ডলার, ২০ ইউরো, ১০ সিঙ্গাপুর ডলার, ২২ কাতারি রিয়াল, ৬ মালয়েশিয়ান রিংগিত ও ৬০ পাকিস্তানি রুপি। এছাড়াও ৯ গ্রাম স্বর্ণ, ১০ গ্রাম স্বর্ণসদৃশ বস্তু এবং ৩৯ দশমিক ৪ গ্রাম রূপা উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হয়। এই সময় পাওয়া যায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা। এছাড়াও পাওয়া যায় স্বর্ণ, রুপাসহ বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা।

"৩৪ দিনের বিরতির পর আবারো দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হয়েছে। এই গণনা সকলকে আশ্বস্ত করবে যে, দানবাক্সের টাকা সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাহজালাল মাজার, সিলেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ দিন, ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖