📌 রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে আমাদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা
রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থল। আমি আপনাদের শোনাব এই সুন্দর জায়গার ভ্রমণ কথা। সাজেক ভ্যালি একটি বিখ্যাত এবং অতি পুরাতন (১৮৮০ সাল থেকে) পর্যটন স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থল
- 📌 এটি রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত
- 📌 সাজেক ভ্যালি একটি বিখ্যাত এবং অতি পুরাতন (১৮৮০ সাল থেকে) পর্যটন স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত
- 📌 এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭২০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত
- 📌 এর কংলাক পাহাড়টি ১৮০০ ফুট উপরে অবস্থিত
📰 বিস্তারিত
আমি ঢাকা থেকে সাজেকের উদ্দেশে রওনা হলাম। সারাদিন দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে যখন খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছাই তখন সন্ধ্যা নেমেছে। জানা গেল, সাজেক যাবার উপায় অতটা সহজ নয়। খাগড়াছড়ি শহরে রাত যাপন করে পরদিন সকালে বিজিবির তত্ত্বাবধানে বিশেষ গাড়িতে করে সাজেক যেতে হবে।
আমরা খাগড়াছড়ি শহরে একটি হোটেলে রাত যাপনের ব্যবস্থা করলাম। সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা থেকে যাত্রা শুরু হয়, সকাল সাড়ে ১০টার পর আর গাড়ি যায় না। আমরা একটি চাঁদের গাড়ি (বিশেষ ধরনের ফোর হুইল গাড়ি) রির্জাভ করে সকাল সাড়ে ৯টায় রওনা হলাম।
সামনে পেছনে বিজিবির গাড়ি, মাঝখানে এক সারিতে প্রায় ৩০/৪০টি গাড়ির বহর আমাদেরকে স্কট করে পাহাড়ি রাস্তায় রওনা হলো।
আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা, চারদিকে সবুজ গাছগাছালি, মাঝে মাঝে চোখে পড়ে আদিবাসীদের জীবনযাপন। আদিবাসীদের কোনোরকমভাবে বেঁচে থাকার বাঁশের মাচানের ওপর তৈরি ছনের ঘরবাড়ি।
আদিবাসীদের ঘর -বাড়ি ও নিজস্ব রীতির পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস, জুমচাষ, গাছ কেটে জ্বালানি সংগ্রহ করে মাথায় বা রোদে ঝলসানো পিঠে বয়ে নিয়ে যাবার করুণ দৃশ্য।
আর একটি সুন্দর দৃশ্য বেশ আনন্দ দিয়েছে, তা হলো আদিবাসী ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা হাত নেড়ে নেড়ে আমাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছে আর যেন বলছে- ‘আসুন, দেখে যান কী রকমভাবে বেঁচে আছি আমরা’!
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭২০ ফুট, ১৮০০ ফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!