📌 সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনার ইমামরা শুক্রবার হুতি হামলাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা লঙ্ঘন হলো ইসলামের মূল্যবোধের বিরুদ্ধে। মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শেখ বান্দার বালিলাহ বলেছেন, হুতিদের এই প্রচেষ্টা মুসলমানদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে
সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনার পবিত্র মসজিদে হুতি হামলাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন সেখানকার ইমামরা। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) খুতবায় তারা বলেছেন, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা লঙ্ঘন হলো ইসলামের মূল্যবোধের বিরুদ্ধে এবং নিরপরাধ মানুষের জীবনের সরাসরি হুমকি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও মদিনার মসজিদে নববীর ইমামরা শুক্রবার হুতি হামলাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন
- 📌 শেখ বান্দার বালিলাহ বলেছেন, ‘আল্লাহর পবিত্র ঘর ও রাসুলের মসজিদকে লক্ষ্য করা ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কহীন’
- 📌 মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতি ড্রোন হামলার প্রচেষ্টা ছিল দ্বিতীয় — আগে ২০১৭ সালে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ হয়েছিল
- 📌 মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশকারী ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়েছিল
- 📌 শেখ আবদুলমোহসেন আল-কাসিম বলেছেন, হুতি হামলাগুলো মুসলমানদের রক্তপাতকে বৈধ মনে করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে চায়
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনার ইমামরা শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) খুতবায় একযোগে হুতি হামলাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা এবং নিরপরাধ মানুষের জীবন সৌদি আরবের জন্য একটি রেড লাইন। মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম ও খতিব শেখ বান্দার বালিলাহ বলেন, মুসলমানদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং তাদের সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোকে হুমকির মুখে ফেলার প্রচেষ্টা পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদার লঙ্ঘন এবং নিরপরাধ মানুষের জীবনের জন্য সরাসরি হুমকি।
শেখ বান্দার বালিলাহ আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর পবিত্র ঘর এবং তাঁর রাসুলের মসজিদকে লক্ষ্য করার সাহস দেখায়, ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।’ তিনি হুতিদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় স্লোগানকে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের আড়াল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের হামলা দুই পবিত্র মসজিদের ভূমিকে আরও দৃঢ় করবে এবং সৌদি নেতৃত্ব ও জনগণের ঐক্য আরও শক্তিশালী করবে।
অন্যদিকে, মদিনার মসজিদে নববীতে দেওয়া খুতবায় শেখ আবদুলমোহসেন আল-কাসিম বলেন, মক্কা ও মদিনাকে হুমকির মুখে ফেলা হুতি হামলাগুলো এমন এক ধরনের সন্ত্রাসী প্রবণতার প্রতিফলন, যা মুসলমানদের রক্তপাতকে বৈধ মনে করে এবং নিরাপদে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে চায়।
এই ঘটনা ঘটেছে মক্কার দক্ষিণে একটি হুতি ড্রোন সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ভূপাতিত করার কয়েক দিন পর। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই শনাক্ত করে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়। ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সমর্থনকারী জোট জানায়, এটি মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় হামলার প্রচেষ্টা। আগে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে মক্কাকে লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছিল।
"পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা এবং নিরপরাধ মানুষের জীবন সৌদি আরবের জন্য একটি রেড লাইন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মক্কা (গ্র্যান্ড মসজিদ), মদিনা (মসজিদে নববী), সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ বান্দার বালিলাহ (গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম), শেখ আবদুলমোহসেন আল-কাসিম (মসজিদে নববীর ইমাম)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার), ১৫ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার), ৬টা ৫০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!