📌 খুলনার রূপসা উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছে। ভারী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ ও পানি নিষ্কাশনের অভাবে সড়কটির বেশিরভাগ অংশই ভাঙাচোরা। স্থানীয়রা প্রতিদিন অন্তত পাঁচ হাজার মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
খুলনার রূপসা উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়কের দুরবস্থা স্থানীয়দের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বেশিরভাগ অংশই খানাখন্দে ভরা। ফলে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সড়কটির পাশেই রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহর সমাধি কমপ্লেক্স।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার রূপসা উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়কটি সংস্কারের অভাবে সম্পূর্ণ ভাঙাচোরা হয়ে গেছে
- 📌 সড়কটির প্রায় তিন কিলোমিটার অংশ এখনো কাঁচা থাকায় যানবাহন চলাচলে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি হয়েছে
- 📌 স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ভারী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপেই সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
- 📌 এলজিইডির নীতিমালা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ২০ টন ভার বহনের উপযোগী সড়ক নির্মাণ করা যায়, কিন্তু এ সড়কে ৫০ টন পর্যন্ত ভারী যান চলাচল করে
📰 বিস্তারিত
খুলনার রূপসা উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়কের বর্তমান অবস্থা স্থানীয়দের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বেশিরভাগ অংশই খানাখন্দে ভরা। ফলে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সড়কটির পাশেই রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহর সমাধি কমপ্লেক্স। প্রায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি উপজেলার রূপসা ফেরিঘাটের পূর্ব পার থেকে শুরু হয়ে চর রূপসা, বাগমারা হয়ে জাবুসা বাজারে গিয়ে শেষ হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে সড়কটি কাগজপত্রে ‘গ্রামীণ সড়ক’ শ্রেণির হলেও বাস্তবে এটি শিল্পাঞ্চলের প্রধান সড়কে পরিণত হয়েছে। সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অন্তত ১৭টি চিংড়ি হিমায়িত ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোস্টগার্ড ক্যাম্প ও পুলিশ ক্যাম্প। স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অন্তত তিন হাজার শ্রমিক প্রতিদিন এই সড়কে যাতায়াত করেন।
গত রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বেশিরভাগ অংশে পিচের চিহ্ন নেই। কোথাও খোয়া উঠে গেছে, কোথাও জমে আছে কাদাপানি। ভাঙাচোরা অংশ দিয়ে বালু, পাথর, সারসহ বিভিন্ন পণ্য বোঝাই ট্রাক ও ডাম্পার চলাচল করছে। স্থানীয় বাসিন্দা আল মাহমুদ বলেন, ‘মাঝে মাঝে স্থানীয় লোকজন নিজ উদ্যোগে সড়কের কিছু কিছু সংস্কার করেন। তবে এখন কোথাও কোথাও খালের মতো গর্ত হয়ে গেছে।’
‘আমাগো কষ্টের শেষ নাই। ঠেইলে-গুতাইয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলিও মাঝখানে যাত্রীদের নাইমে যাইতি হয়।’ — ভ্যানচালক আবু হানিফ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার রূপসা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল মাহমুদ, আবু হানিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার, ৭ কিলোমিটার, ৩ হাজার, ১৭, ২০ টন, ৫০ টন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!