📌 টেট্রাক্রোমেসি নামক বিরল জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে কিছু নারী এমন সব রং দেখতে পান যা সাধারণ মানুষের চোখে ধরা পড়ে না। যুক্তরাজ্যের গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ১২ শতাংশ নারীর মধ্যে এই অসাধারণ দৃষ্টিশক্তির উপস্থিতি রয়েছে
চারুকলা শিল্পী কনসেত্তা আন্তিকো দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ বিষয়গুলোতেও এমন সব রং দেখতে পেতেন, যা তার ছাত্রছাত্রীরা দেখতে পেত না। এই বিষয়টি তাকে প্রথমে অবাক করলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন যে তার দৃষ্টিশক্তি অন্যদের তুলনায় আলাদা। তিনি বলেন, "আমি পরে একজনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যে আমাকে এই কথাটা আগে কখনো বলো নি কেন? তখন সে জানায় 'আপনি আমাদের শিক্ষিকা। আমরা ধরেই নিয়েছিলাম যে আপনি শৈল্পিক একটা কিছু করছেন।'"
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চারুকলা শিল্পী কনসেত্তা আন্তিকো আবিষ্কার করেন যে তার দৃষ্টিশক্তি অন্যদের তুলনায় আলাদা
- 📌 টেট্রাক্রোমেসি নামক জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে কিছু নারী অতিরিক্ত রং দেখতে পান
- 📌 মানুষের চোখে সাধারণত তিন ধরনের 'কোণ' কোষ থাকে, যা লাল, সবুজ ও নীল রং শনাক্ত করে
- 📌 টেট্রাক্রোমেসির কারণে চতুর্থ প্রকারের 'কোণ' কোষ গঠিত হয়, যা আরও বর্ণিল রং দেখতে সাহায্য করে
- 📌 যুক্তরাজ্যের গবেষণায় প্রায় ১২ শতাংশ নারীর মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে
- 📌 নারীদের দুটি এক্স ক্রোমোজোম থাকায় টেট্রাক্রোমেসির সম্ভাবনা বেশি
📰 বিস্তারিত
চারুকলা শিল্পী কনসেত্তা আন্তিকো দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ বিষয়গুলোতেও এমন সব রং দেখতে পেতেন, যা তার ছাত্রছাত্রীরা দেখতে পেত না। তিনি বলেন, "আমি পরে একজনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যে আমাকে এই কথাটা আগে কখনো বলো নি কেন? তখন সে জানায় 'আপনি আমাদের শিক্ষিকা। আমরা ধরেই নিয়েছিলাম যে আপনি শৈল্পিক একটা কিছু করছেন।'" এই ঘটনার পর তিনি জানতে পারেন যে তার শরীরে টেট্রাক্রোমেসি নামক বিরল জিনগত বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
মানুষের চোখে সাধারণত তিন ধরনের 'কোণ' কোষ থাকে, যা লাল, সবুজ ও নীল রং শনাক্ত করে। তবে কিছু মানুষের চোখে চতুর্থ প্রকারের 'কোণ' কোষ থাকে, যা তাদের আরও বর্ণিল রং দেখতে সাহায্য করে। যুক্তরাজ্যের নিউকাসল ইউনিভার্সিটির টেট্রাক্রোমেসি প্রজেক্টের গবেষণা অনুযায়ী, প্রায় ১২ শতাংশ নারীর মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে মনে করা হয়।
নারীদের দুটি এক্স ক্রোমোজোম থাকায় টেট্রাক্রোমেসির সম্ভাবনা বেশি। পুরুষদের ক্ষেত্রে একই জিনের প্রকারভেদ বর্ণান্ধতার কারণ হয়ে উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউসি আরভাইন ব্রানসন সেন্টার ফর ট্রান্সলেশনাল ভিশন রিসার্চ-এর ড. কিম্বার্লি এ. জেমসনের মতে, "একটি প্রচলিত ধারণা হলো, যদি কোনো ব্যক্তির একটি অতিরিক্ত রং দেখার ক্ষমতা থাকে তবে তিনি এমন সব রং দেখতে পারেন যা বর্ণনা করা প্রায় অসম্ভব।"
"ঠিক যেমন লাল-সবুজ রং ঠিক কেমন, সেটা বুঝতে পারেন না এমন কোনো বর্ণান্ধ ব্যক্তি, এটা অনেকটা সেরকম। আরেকটি সম্ভবনা হলো, তারা হয়তো সাধারণ রংগুলোর মধ্যেকার অতি সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো আরও স্পষ্টভাবে দেখতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কনসেত্তা আন্তিকো, ড. কিম্বার্লি এ. জেমসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!