📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি জানান, বিতাড়িত সরকারের আমলে কমপক্ষে ৭ শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছিল। সরকার গুম প্রতিরোধে নতুন আইনি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) দিবসটি উপলক্ষে শনিবার রাত ১০টা ৫২ মিনিটে দেওয়া বার্তায় তিনি বিশ্বব্যাপী গুম হওয়া ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন
- 📌 গুমকে বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন
- 📌 বিতাড়িত সরকারের আমলে কমপক্ষে ৭ শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছিল বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন
- 📌 সরকার গুম প্রতিরোধে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম শুধু ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়, একটি পরিবারের স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের মৃত্যু
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে দেওয়া বার্তায় গুমকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এ ধরনের অমানবিক ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সরকারবিরোধী আন্দোলন বা ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে গুমের মতো নির্মম পথ বেছে নেয়।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার দমনের জন্য গোপন বন্দিশালা তৈরি করেছিল। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিতাড়িত সরকার কমপক্ষে ৭ শতাধিক মানুষকে গুম করেছে। এই ঘটনাগুলো জনপরিসরে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পেয়েছিল।
বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার গুম প্রতিরোধে নতুন আইনি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিলগুলো আইনে পরিণত হলে ভবিষ্যতে আর কেউ গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের পথ বেছে নেবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম শুধু একজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, সাধ ও ভবিষ্যতের মৃত্যু। গুম হওয়া ব্যক্তির অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের জীবন অনিশ্চিত বাস্তবতায় কাটে। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর অনেকেই ফিরে এলেও ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের মতো অসংখ্য মানুষের খোঁজ মেলেনি।
“গুম কিংবা অপহরণ শুধু একটি সংখ্যা নয় কিংবা একজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়; বরং একটি পরিবারের স্বপ্ন, সাধ ও আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ শতাধিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!