📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুমের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ও সরকারের প্রতি আহ্বান

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান
গুমের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ও সরকারের প্রতি আহ্বান

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান গুমের শিকারদের দ্রুত উদ্ধার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি সরকারকে গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করারও তাগিদ দেন

ঢাকায় আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান গুমের শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শনিবার ২৯ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের প্রতি এ দাবি তুলে ধরেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে গুমের শিকার নিরপরাধ ব্যক্তিদের স্মরণ ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জামায়াত আমির
  • 📌 ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি
  • 📌 শেখ হাসিনার শাসনামলে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ সাত শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হন বলে দাবি করেন ডা. শফিকুর রহমান
  • 📌 গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ আইনে পরিণত না হওয়ায় এর কার্যকারিতা লোপ পেয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি
  • 📌 গুমের মতো গুরুতর অপরাধের তদন্ত ও বিচারের জন্য বিশেষ আইনি কাঠামো গঠনের দাবি জানান জামায়াত নেতা

📰 বিস্তারিত

ডা. শফিকুর রহমান তার বিবৃতিতে বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার বছরের পর বছর প্রিয়জনের সন্ধানে মানসিক ট্রমা ও মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। অনেক পরিবার সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিরোধী মত ও কণ্ঠরোধের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার শাসনামলে ‘আয়নাঘর’-এর মতো গোপন বন্দিশালা তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ আট বছরের বন্দিদশা ও গুম থাকার পর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আরমান আহমদ বিন কাসেম ফিরে এলেও জামায়াত নেতা হাফেজ জাকির হোসাইন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিবির নেতা আল মোকাদ্দাস, মোহাম্মদ ওলিউল্লাহ, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী এবং সাবেক কমিশনার চৌধুরী আলমসহ বহু নিখোঁজ ব্যক্তি এখনো ফিরে আসেননি।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করলেও পরবর্তী সরকার তা আইনে পরিণত না করায় এর কার্যকারিতা লোপ পেয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন খসড়া বিলে গুম সংক্রান্ত আইনের সংজ্ঞাসহ বিভিন্ন ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। গুমের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা পুলিশকে দেওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

"গুম প্রতিরোধ ও গুমের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে অন্তর্বর্তী সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সরকার অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত না করায় এর কার্যকারিতা লোপ পেয়েছে।"

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তভার আবার তাদের হাতেই দেওয়াকে অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, গুম একটি বিশেষ ধরনের অপরাধ, তাই এর মোকাবিলায় বিশেষ আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজন। গুমসংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার সরকারের অধীনে রাখার বিষয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন বিলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুমসংক্রান্ত তদন্ত থেকে বাদ দেওয়ার সমালোচনা করেন তিনি।

"এর মাধ্যমে কমিশনকে কার্যত ‘টুথলেস টাইগার’-এ পরিণত করা হচ্ছে।"

ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান সরকারের প্রতি গুম ও নিখোঁজ নাগরিকদের দ্রুত উদ্ধারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি গুমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তি ও ‘মাস্টারমাইন্ডদের’ বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। গুমকে বিশেষ অপরাধ হিসেবে পূর্ণ স্বীকৃতি দিয়ে এর সুষ্ঠু অনুসন্ধান, স্বাধীন তদন্ত এবং দ্রুত বিচারের জন্য একটি বিশেষ ও স্বাধীন আইনি কাঠামো গঠনেরও আহ্বান জানান তিনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াত আমির)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ শতাধিক (গুমের শিকার ব্যক্তি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖