📌 সাংবিধানিক সংস্কার, জুলাই হত্যার বিচার ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট সমাধানের দাবিতে ৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে অল্টারনেটিভস। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের নেতৃত্বে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অল্টারনেটিভস নামক সংগঠনটি দেশের সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার, জুলাইয়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানের দাবিতে নয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির জাতীয় সাংগঠনিক কমিটির পক্ষ থেকে নয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কারের রূপরেখা প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণের দাবি
- 📌 জুলাই গণহত্যার বিচার ও ২০০৯-২০২৪ সালের গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি
- 📌 মানবাধিকার কমিশন ও গুম কমিশন কার্যকর করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি
- 📌 বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে কুইক রেন্টাল চুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির দাবি
- 📌 স্বাস্থ্যসেবা কর্মী ও প্রতিষ্ঠান সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ আইনে পরিণত করার দাবি
- 📌 নারী ও শিশু নিপীড়ন প্রতিরোধে নারী কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি
- 📌 শ্রম কমিশনের সুপারিশ ও শ্রম আইন ২০২৬ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি
- 📌 শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারে স্বাধীন শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি
- 📌 পরিবেশ ধ্বংসকারী উন্নয়ন প্রকল্প বাতিল ও জলবায়ু সহনশীল প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি
📰 বিস্তারিত
অল্টারনেটিভসের পক্ষ থেকে প্রচারিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ ও জনগণের আন্দোলনের পরও প্রত্যাশিত 'নতুন বাংলাদেশ' প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, দেশের কাঠামোগত ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়নি, কেবল সরকারের পরিবর্তন ঘটেছে। সংগঠনটির জাতীয় সাংগঠনিক কমিটির সদস্যরা জানান, স্বাধীনভাবে কথা বলা, সংগঠিত হওয়া ও প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নয় দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জুলাই গণহত্যার বিচার ও ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। এছাড়া, মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন ও এসআরবি আইন কার্যকর করার মাধ্যমে মানবাধিকার সুরক্ষা, নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে কুইক রেন্টাল ও অসম বিদ্যুৎ-জ্বালানি চুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ও জ্বালানি সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা কর্মী ও প্রতিষ্ঠান সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং রোগী সুরক্ষা ও প্রতিকার অধ্যাদেশ-২০২৫ আইন আকারে প্রণয়নের দাবিও জানানো হয়।
"জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ ও জনগণের আন্দোলনের পরও প্রত্যাশিত 'নতুন বাংলাদেশ' প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দেশের কাঠামোগত ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়নি, কেবল সরকারের পরিবর্তন হয়েছে। স্বাধীনভাবে কথা বলা, সংগঠিত হওয়া ও প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেগুনবাগিচা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহফুজ আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি দাবি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!