📌 টেকসই কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলো ২০২৭ সালের যৌথ কর্মসূচি চিহ্নিত করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রচেষ্টার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়
টেকসই কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের নেতৃত্বে আয়োজিত সমন্বয় সভায় অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলো ২০২৭ সালের সম্ভাব্য যৌথ কর্মসূচি ও সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে। গতকাল শনিবার ঢাকায় সার্ক কৃষি কেন্দ্রের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৭ সালের জন্য যৌথ কর্মসূচি ও সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
- 📌 সভায় অংশ নিয়েছেন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন, হেইফার ইন্টারন্যাশনালসহ ১৫টির বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা
- 📌 ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদার করে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন
- 📌 আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু সহনশীলতা, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো
📰 বিস্তারিত
টেকসই কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সার্ক কৃষি কেন্দ্র বাংলাদেশ গতকাল শনিবার ঢাকায় একটি সমন্বয় সভার আয়োজন করে। সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত সহযোগিতা জোরদারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন, বাংলাদেশ; হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ; হারভেস্টপ্লাস; সাসটেইনেবল অ্যাগ্রিকালচার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ; এসিআই; স্পেকট্রা হেক্সা ফিডস লিমিটেড; আরএসবি প্রপার্টিজ লিমিটেড; শিশুক; ওয়েভ ফাউন্ডেশন; গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক); ওয়েলথাঙ্গারহিলফে; টিএমএসএস; ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়া; ফিশটেক হ্যাচারি; রুট এগ্রোভেট; সুশীলন ও নিরিবিলি গ্রুপ।
ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, "দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রসার এবং যৌথভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কার্যকর ও টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।"
সভায় অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকার ও চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন। আলোচনায় টেকসই কৃষি, কৃষি বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক কৃষি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য উন্নয়ন, কৃষিপণ্যের মূল্যশৃঙ্খল, গ্রামীণ জীবিকা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা উঠে আসে।
"সার্কভুক্ত দেশগুলোর কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থাকে আরও টেকসই, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. হারুনূর রশীদ (পরিচালক, সার্ক কৃষি কেন্দ্র)
- 🔢 প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৫টির বেশি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!