📌 প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, দলটি নারী ও বাংলাদেশের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে। একইসঙ্গে তিনি গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারের সমালোচনা করে তরুণদের ক্ষমতায়নের অভাব তুলে ধরেন
প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থানকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, দলটি একটি আসনেও নারীকে মনোনয়ন দেয়নি এবং বাংলাদেশের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে। তিনি বলেন, ‘যারা উগ্র চিন্তাধারার ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিশ্বাস করে না—এমন একটি দল পার্লামেন্টে প্রধান বিরোধী দল হওয়ায় দুঃখ লাগে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ‘উগ্র চিন্তাধারার দল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর
- 📌 দলটি কোনো আসনেই নারীকে মনোনয়ন দেয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি
- 📌 গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারের সমালোচনা করে তরুণদের ক্ষমতায়নের অভাব তুলে ধরেন
- 📌 তরুণদের দুর্নীতিগ্রস্ত করার অভিযোগ করেন তিনি
- 📌 পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অধিকার ও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর সিরডাপে আয়োজিত ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব: রাজনীতিতে নারী ও তরুণ’ শীর্ষক গোলটেবিল সংলাপে নুরুল হক নুর এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকারভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই সংলাপে রাজনীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণের বাধা-বিপত্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী একটি আসনেও নারীকে মনোনয়ন দেয়নি। তারা ক্ষমতায় আসলে কী হতো? আজ ভাবতেই দুঃখ লাগে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের গুণগত পরিবর্তনের জন্য সব তরুণকে ধারণ করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কয়েকজন তরুণকে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে বৃহত্তর অংশকে বাইরে রাখা হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, তরুণ প্রজন্মকে দুর্নীতিগ্রস্ত করা হয়েছে এবং ডিসি অফিসে চাল-গম ভাগ করতে দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ‘গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু তা নষ্ট করেছে গুটিকয়েক লোক এবং তারা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।’
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মান্না ভাইয়ের কাছে শুনেছি সেনা শাসনের সময় ছাত্র নেতাদের ডেকে বিভিন্ন সুবিধা অফার করলেও ছাত্ররা নেয়নি। কিন্তু এখানে এরা অফারের আগেই গাড়ি-বাড়ি, টাকা-পয়সার পেছনে ছুটতে লাগল।’
একই সঙ্গে তিনি পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অধিকার ও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কর্মকাণ্ডকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি প্রবাসী কর্মসংস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নতুন দেশ ও খাত খোঁজা এবং শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের ওপর জোর দেন।
‘যারা উগ্র চিন্তাধারার, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিশ্বাস করে না—এমন একটি দল পার্লামেন্টে প্রধান বিরোধী দল।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরডাপ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল হক নুর (প্রতিমন্ত্রী), মান্না
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (মুক্তিযুদ্ধের খলিফা), ৯ (সংগঠন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!