📌 ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জামায়াত-এনসিপি বিরোধী জোটের লংমার্চের কারণে জ্বালানি সংকট তীব্রতর হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, এক লাখ লিটার জ্বালানি অপচয় ও অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে। বিরোধী জোটের নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করছে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জামায়াত-এনসিপি বিরোধী জোটের লংমার্চ কর্মসূচি দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক ক্ষতিকে আরও তীব্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, সড়ক অবরুদ্ধ ও জ্বালানি অপচয়ের কারণে দেশের অর্থনৈতিক ধমনি ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ক থেকে হাজার হাজান যানবাহনের চলাচল বন্ধ থাকায় কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশেদ খাঁন বলেছেন, লংমার্চে আনুমানিক এক লাখ লিটার জ্বালানি অপচয় হচ্ছে, যা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে আরও তীব্র করছে
- 📌 ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরুদ্ধ থাকায় হাজার হাজান যানবাহনের চলাচল বন্ধ, যা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ
- 📌 রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, বর্তমান সংকটের দায় ছয় মাসের সরকারের ওপর চাপানো ‘মূর্খতা’
- 📌 জোটের নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করছে এবং প্রতারণা করছে
- 📌 জোটের মূল দাবি ১১টি দল থেকে শুরু করে বর্তমানে ৯ দলের মধ্যে রয়েছে, যারা দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করেছে
📰 বিস্তারিত
রাশেদ খাঁন আজ শনিবার নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করে এই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ধমনি হওয়ায় এ সড়কে যানবাহনের চলাচল বন্ধ থাকায় রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের দায় ছয় মাসের সরকারের ওপর চাপানো ‘মূর্খতা’। তিনি লিখেছেন, ‘ছয় মাসের সরকারের ওপর গত ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল।’
বিরোধী ৯ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই লংমার্চের মূল উদ্দেশ্য হলো একাধিক নাগরিক ও রাজনৈতিক দাবি আদায়। জোটের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান গত আগস্টে ঢাকার মুক্তাঙ্গনে কর্মসূচি আয়োজনের সময় দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘এই সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করছে। প্রতারণা করছে এবং কথা দিয়ে কথার বরখেলাপ করছে। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।’
জোটের মূল দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, শুরুতে এই জোটে ১১টি দল থাকলেও বর্তমানে দুটি দল ত্যাগ করে ৯ দলের জোটে পরিণত হয়েছে। শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘১১ দল আপনাদের পাশে আছে, আপনারাও আমাদের সঙ্গে থাকবেন। দেখবেন, ইনশা আল্লাহ আমাদের ঐক্যবদ্ধ এই প্রয়াস সফল হবে।’
"এই সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করছে। প্রতারণা করছে এবং কথা দিয়ে কথার বরখেলাপ করছে। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ খাঁন, ডা. শফিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ লিটার জ্বালানি অপচয়, ৯ দলীয় জোট, ১১টি দল (প্রাক্তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!