📌 কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘নজরুলসন্ধ্যা’তে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, নজরুলের নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা ছিল। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীও বলেছেন, নজরুলকে শুধু বিদ্রোহী কবি হিসেবে দেখতে পারা যাবে না, তিনি প্রেম ও সাম্যের কবি ছিলেন
কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে ঢাকার ছায়ানট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘নজরুলসন্ধ্যা’তে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী নোবেল পুরস্কারের দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, ‘মহাপুরুষ’ কাজী নজরুলের সৃষ্টি পৃথিবীতে খুব কমই দেখা যায়। নজরুলের স্মৃতিকে স্মরণীয় রাখতে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে গেলে, কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে** ঢাকায় ‘নজরুলসন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
- 📌 দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম একজন মহাপুরুষ, তাঁর নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা ছিল’
- 📌 সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘নজরুলকে শুধু বিদ্রোহী কবি হিসেবে দেখতে পারা যাবে না, তিনি প্রেম ও সাম্যের কবি ছিলেন’
- 📌 অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন ফাতেমা তুজ জোহরা, নৃত্য পরিবেশন করেন সামিনা হোসেন প্রেমা ও তাঁর দল ‘ভাবনা’
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও কবিতা পাঠ করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার ছায়ানট অডিটোরিয়ামে ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) আয়োজন করে ‘নজরুলসন্ধ্যা’। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি পৃথিবীতে বিরল। তিনি একজন মহাপুরুষ। তাঁর স্মৃতি আমাদের সবার মনে থাকবে। নোবেল পুরস্কার পাওয়ার তাঁর যোগ্যতা ছিল’।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সবাইকে নজরুলের আদর্শ ধারণ করতে হবে। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য এটা খুব জরুরি। নজরুলকে শুধু বিদ্রোহী কবি হিসেবে বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। তিনি একই সঙ্গে প্রেম ও সাম্যের কবি ছিলেন। তাঁর সৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের কথা, মানবতা ও সাম্যের বার্তা রয়েছে’। প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানের আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা ‘সন্ধ্যা গোধূলি লগনে কে’, ‘মোর প্রথম মনের মুকুল’, ‘আজ যে রাজাধিরাজ’, ‘শিউলিতলায় ভোরবেলায়’, ‘দূর দ্বীপবাসিনী’ ও ‘গোধূলির রঙ ছড়ালে কে’ গান পরিবেশন করেন। তিনি একটি শ্যামাসংগীতও গেয়েছেন। কবিতা পাঠ করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। নৃত্যশিল্পী সামিনা হোসেন প্রেমা ও তাঁর দল ‘ভাবনা’ নজরুলের গানের সঙ্গে মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন করেন।
"আমাদের সবাইকে নজরুলের আদর্শ ধারণ করতে হবে। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য এটা খুব জরুরি। নজরুলকে শুধু বিদ্রোহী কবি হিসেবে বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। তিনি একই সঙ্গে প্রেম ও সাম্যের কবি ছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ছায়ানট অডিটোরিয়াম, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীনেশ ত্রিবেদী (ভারতের হাইকমিশনার), নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী), ফাতেমা তুজ জোহরা (নজরুলসংগীতশিল্পী), সামিনা হোসেন প্রেমা (নৃত্যশিল্পী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!