📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা ও পাঁচটি উপজেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ৬৮টি পদে মাত্র ৩৮ জন কর্মী রেখে গেছে। জনবল সংকটে টিকাদান, পশুচিকিৎসা ও খামারিদের পরামর্শ দেওয়া ব্যাহত হচ্ছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা ও পাঁচটি উপজেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তরে জনবল সংকটের কারণে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও পশুসেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৬৮টি পদে মাত্র ৩৮ জন কর্মী রেখে গেছে, যার মধ্যে অনেক পদ শূন্য থেকে তিন বছর ধরে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেলা ও পাঁচটি উপজেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ৬৮টি পদে মাত্র ৩৮ জন কর্মী — ৩০টি পদ শূন্য
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ উপজেলায় ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কোনো কর্মী নেই
- 📌 নাচোল উপজেলায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি সার্জন পদেও কর্মী নেই
- 📌 অফিস সহকারী, কম্পাউন্ডার ও ড্রেসার পদেও শিবগঞ্জ, নাচোল ও গোমস্তাপুরে কর্মী নেই
- 📌 জনবল সংকটে টিকাদান, পশুচিকিৎসা ও খামার পরামর্শ ব্যাহত
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ১৩টি পদে মাত্র সাতজন কর্মী এবং পাঁচটি উপজেলার ৫৫টি পদে মাত্র ৩১ জন কর্মী রেখে গেছে। জেলা দপ্তরে ছয় মাস থেকে তিন বছর পর্যন্ত কিছু পদ শূন্য রয়েছে। গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াসিম আকরাম জানান, ‘আমার উপজেলায় ১১ জন পদ থাকলেও বর্তমানে মাত্র তিনজন কর্মী অফিসে উপস্থিত। বাকি দুজন ডেপুটেশনে এবং একজন তিন বছরের প্রশিক্ষণে রয়েছেন।’
জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম, নতুন খামার নিবন্ধন, বন্ধ খামারের তালিকা তৈরি এবং পশুচিকিৎসাসেবা যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুনজের আলম বলেন, ‘অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় কর্মী না থাকায় রেজিস্টারভুক্ত খামারিরা সময়মতো পশুর জন্য ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না। পশুচিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে।’
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হেলাল উদ্দিন জানান, জনবল সংকটের কারণে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির পরিচর্যা, চিকিৎসা, দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদনে নজরদারি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘অধিদপ্তরে বারবার চিঠি ও মৌখিকভাবে জনবল চাওয়া হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না।’
“সরকারের কাছে আমাদের দাবি, অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হোক।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট, শিবগঞ্জ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. মো. ওয়াসিম আকরাম, মুনজের আলম, ডা. মো. হেলাল উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮টি পদে ৩৮ জন কর্মী, ১৩টি পদে ৭ জন কর্মী, ৫৫টি পদে ৩১ জন কর্মী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!