📌 লন্ডনের কেন্দ্রীয় আদালত হামাস সমর্থন দাবিতে মামলায় ২২ বছর বয়সী ব্রিটিশ নারী সারা কটকে মুক্তি দিয়েছে। তিনি ২০২৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতায় ‘ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অপরিহার্য সমর্থন’ দাবি করেছিলেন, যা হামাসকে সমর্থন করার অভিযোগে উঠেছিল। আদালত তাকে বিনা দোষী সাব্যস্ত ঘোষণা করে।
লন্ডনের কেন্দ্রীয় আদালত (ওল্ড বেইলি) ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে হামাস সমর্থন দাবিতে মামলায় ২২ বছর বয়সী ব্রিটিশ নারী সারা কটকে বিনা দোষী সাব্যস্ত ঘোষণা করেছে। কটকে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনের স্কুল অব অরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (SOAS) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ‘ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অপরিহার্য সমর্থন’ দাবি করেছিলেন। এই বক্তৃতায় তিনি ‘অনুকূল সমর্থন’ প্রকাশ করেছিলেন, যা যুক্তরাজ্যের আইনে নিষিদ্ধ হামাস গ্রুপের সমর্থন হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০২৩ সালের অক্টোবর ৯ তারিখে** SOAS বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বক্তৃতায় সারা কটকে ‘ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অপরিহার্য সমর্থন’ দাবি করেছিলেন, যা হামাসকে সমর্থন করার অভিযোগে উঠেছিল।
- 📌 **২০২৪ সালের জানুয়ারি ৩১ তারিখে** তিনি এই বক্তৃতার জন্য গ্রেফতার হন এবং পরবর্তীতে আদালতে মামলা হয়।
- 📌 **২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর** ওল্ড বেইলি আদালত তাকে ‘হামাস সমর্থন’ দাবিতে বিনা দোষী সাব্যস্ত ঘোষণা করে।
- 📌 **১৪ বছর কারাদণ্ডের সম্ভাবনা** থাকলেও আদালত কটকে মুক্তি দিয়েছে, কারণ তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি ‘ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অধিকার’ সমর্থন করেছিলেন, না হামাস গ্রুপকে।
- 📌 **কটকে বলেছেন**, “আমি হামাসকে সমর্থন করি না এবং কখনো করিনি। আমি প্রতিরোধের অধিকার সমর্থন করি।”
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় অপরাধ আদালত (ওল্ড বেইলি) সারা কটকে হামাস সমর্থন দাবিতে মামলায় বিনা দোষী সাব্যস্ত ঘোষণা করার পর এই মামলা শেষ হয়েছে। কটকে ২০২৩ সালের অক্টোবর ৭ তারিখে হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে আক্রমণের দুই দিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। তার বক্তৃতায় তিনি ‘ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অপরিহার্য সমর্থন’ দাবি করেছিলেন, যা যুক্তরাজ্যের আইনে নিষিদ্ধ হামাস গ্রুপের সমর্থন হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছিল।
অভিযোগে বলা হয়েছিল যে কটকের বক্তৃতায় ‘হামাসের প্রতি অপরিহার্য সমর্থন’ প্রকাশ পেয়েছে, যা ‘অতি সরলভাবে হামাসের সমর্থন’ হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছিল। কটকে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, “আমি হামাসকে সমর্থন করি না এবং কখনো করিনি। আমি প্রতিরোধের অধিকার সমর্থন করি।” তিনি বলেছিলেন যে তিনি ‘ফিলিস্তিনি লোকদের অধিকার’ নিয়ে কথা বলছিলেন, না হামাস গ্রুপের সমর্থন নিয়ে।
কটকে আদালতে বলেছিলেন, “আমি ফিলিস্তিনি লোকদের হতাহত হওয়া দেখে দুঃখিত। কিন্তু একই সাথে আমি মনে করি এটি অপ্রত্যাশিত নয়। এটি বুঝতে পারা এবং সমর্থন করা দুটি আলাদা বিষয়। আমি মনে করি এটি বুঝতে পারা সম্ভব এবং তা বৈধ হতে পারে। আমি মনে করি আমার কাজ নয় ফিলিস্তিনি লোকদের লড়াইয়ের শর্তাবলী নির্ধারণ করা।”
"আমি ফিলিস্তিনি লোকদের অধিকার সমর্থন করি এবং তাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের নিজস্ব ভূমিকা রাখার অধিকার রয়েছে। এই বিজয় সমস্ত সমর্থন আন্দোলনকে নতুন শক্তি দেবে। আমরা ফিলিস্তিনি লোকদের সাথে আছি এবং তাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের নিজস্ব ভূমিকা রাখার অধিকার সমর্থন করি।"
কটকের মামলায় সাড়া দিয়ে কেজ ইন্টারন্যাশনালের পাবলিক অ্যাডভোকেসি বিভাগের প্রধান আনাস মুস্তাফা বলেছেন, “এই রায় দেখাচ্ছে যে সাধারণ মানুষ যুক্তরাজ্যের আইনে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অধিকার সমর্থনকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে। সারা কটকে বিনা দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং আমরা তার পরিবার এবং যারা তার পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য খুশি।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য (ওল্ড বেইলি আদালত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সারা কটে (২২ বছর), আনাস মুস্তাফা (কেজ ইন্টারন্যাশনাল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর (কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা), ২০২৩ (বক্তৃতার বছর), ২০২৬ (মামলা শেষ হওয়ার বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!