📌 বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলারদের অনেক ছেলে ফুটবল থেকে দূরে সরে গেছে, কিন্তু খন্দকার ওয়াসিম ইকবাল ও ওয়ালিদ খানের ছেলে জয় ও আসওয়াদ বিন ওয়ালিদ ব্রাদার্স ইউনিয়নে ফুটবল খেলার জন্য প্রস্তুত। জয় বাবার পজিশন থেকে পরিবর্তন করে রাইট ব্যাকে খেলছেন, আর আসওয়াদ বাবার মতো স্ট্রাইকার হিসেবে মাঠে নামছেন
বাংলাদেশের ফুটবল জগতে সাবেক খেলোয়াড়দের ছেলেরা বাবার পথে চলার নজির কম নয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা বাবার জনপ্রিয়তা ও সাফল্যের ছায়ায় ফুটবল থেকে দূরে সরে যায়। তবে খন্দকার ওয়াসিম ইকবাল ও ওয়ালিদ খানের ছেলেরা তাদের বাবাদের মতোই ফুটবলার হিসেবে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত। এবার তারা ব্রাদার্স ইউনিয়নে ফুটবল খেলার জন্য প্রস্তুত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **খন্দকার ওয়াসিম ইকবালের ছেলে জয়** ব্রাদার্স ইউনিয়নে ফিরে এসেছেন এবং রাইট ব্যাক পজিশনে খেলছেন, যেখানে তিনি প্রথমে মিডফিল্ডে খেলতেন।
- 📌 **ওয়ালিদ খানের ছেলে আসওয়াদ বিন ওয়ালিদ খান** বাবার মতো স্ট্রাইকার হিসেবে ব্রাদার্স ইউনিয়নে খেলছেন এবং বাবার চেয়ে ৬ ইঞ্চি লম্বা।
- 📌 **জয়** বলেছেন, “আমি বাবার খেলা দেখতে পাইনি, কিন্তু পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুনেছি তার জনপ্রিয়তা। এটাই আমাকে ফুটবলার হতে উৎসাহিত করেছে।”
- 📌 **আসওয়াদ** জানান, “বাবা যখন স্ট্রাইকার হিসেবে গোল করতেন, তখন তাকে সবাই বেশি গুরুত্ব দিতেন। তাই আমিও স্ট্রাইকার হওয়ার পণ করেছি।”
- 📌 **জয়** মাঠে নামার পর বাবা তাকে কোনো সহায়তা দেননি, বলেছেন, “তুমি নিজেই করে নিতে হবে। তবে বেশি উত্তেজিত না হওয়ার পরামর্শ দেন।”
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের ফুটবল জগতে সাবেক খেলোয়াড়দের অনেক ছেলে বাবাদের মতো ফুটবলার হতে চায়, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা বাবাদের জনপ্রিয়তা ও সাফল্যের ছায়ায় ফুটবল থেকে দূরে সরে যায়। তবে খন্দকার ওয়াসিম ইকবাল ও ওয়ালিদ খানের ছেলেরা তাদের বাবাদের মতোই ফুটবলার হিসেবে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত। এবার তারা ব্রাদার্স ইউনিয়নে ফুটবল খেলার জন্য প্রস্তুত।
খন্দকার ওয়াসিম ইকবালের ছেলে নাবিল খন্দকার জয় ব্রাদার্স ইউনিয়নে ফিরে এসেছেন। তিনি প্রথমে মিডফিল্ডে খেলতেন, কিন্তু কোচরা তাকে রাইট ব্যাক পজিশনে খেলতে উৎসাহিত করেন। জয় জানান, “আমি প্রথমে মিডফিল্ডে খেলতাম, কিন্তু কোচরা আমাকে রাইট ব্যাকে খেলতে বেশি উৎসাহ দেন। তারা বলেন, আমি এই পজিশনে ভালো করব। তাই আমি এই পজিশনেই খেলছি।”
ওয়ালিদ খানের ছেলে আসওয়াদ বিন ওয়ালিদ খান বাবার মতো স্ট্রাইকার হিসেবে ব্রাদার্স ইউনিয়নে খেলছেন। আসওয়াদ জানান, “আমি বাবার চেয়ে ৬ ইঞ্চি লম্বা। বাবার মতোই স্ট্রাইকার হওয়ার পণ করেছি। ছোট বেলা থেকেই দেখতাম বাবা যখন স্ট্রাইকার হিসেবে মাঠে গোল করতেন, তখন তাকে সবাই বেশি গুরুত্ব দিতেন। তাই আমিও স্ট্রাইকার হওয়ার পণ করেছি।”
জয় বলেছেন, “আমি বাবার খেলা দেখতে পাইনি, কিন্তু পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুনেছি তার জনপ্রিয়তা। এটাই আমাকে ফুটবলার হতে উৎসাহিত করেছে। আমার বাবা খন্দকার ওয়াসিম ইকবাল খেলা ছেড়ে দিয়েছিলেন আমার বুঝ জ্ঞান হওয়ার আগেই। তাই আমি তার খেলোয়াড়ী জীবনের সাফল্য এবং জনপ্রিয়তার কথা শুনে অনুপ্রাণিত হয়েছি।”
জয় মাঠে নামার পর ব্রাদার্সের উপদেষ্টা ওয়াসিম থেকে কোনো সহায়তা পাননি। তিনি বলেছেন, “আব্বু প্রথমেই বলে দিয়েছেন, তুমি মাঠে নামার পর আর আমার কাছ থেকে কিছু পাবে না। তোমারটা তোমাকেই করে নিতে হবে। তবে আমি যদি মাঠে খুব ভালো খেলে বেশি উত্তেজিত হয়ে যাই, তখন বাবা আমাকে পরামর্শ দেন যেন বেশি এক্সাইটেড না হই। আরো ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন।”
"আমি প্রথমে মিডফিল্ডে খেলতাম। কিন্তু কোচরা আমাকে রাইট ব্যাকে খেলতেই বেশি উৎসাহ দেন। তাদের মতে, আমি রাইট ব্যাক পজিশনেই ভালো করব। তাই আমি এই পজিশনেই খেলছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ব্রাদার্স ইউনিয়ন মাঠ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার ওয়াসিম ইকবাল, ওয়ালিদ খান, খন্দকার জয়, আসওয়াদ বিন ওয়ালিদ খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ ইঞ্চি (আসওয়াদের উচ্চতা বাবার চেয়ে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!