📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নিতুন কুন্ডুর স্বাধীনতা দিবসের ডাকটিকিটের অমর নকশা

২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নিতুন কুন্ডুর স্বাধীনতা দিবসের ডাকটিকিটের অমর নকশা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণীয় শিল্পী নিতুন কুন্ডুর নকশায় বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ডাকটিকিটের গল্প। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীন দেশের প্রথম ডাকটিকিটের নকশাকার হিসেবে তার অবদানকে স্মরণ করা হচ্ছে।

২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণীয় শিল্পী নিতুন কুন্ডুর নামের সাথে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত ডাকটিকিটের অমর নকশা। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর, এই স্বপ্নদ্রষ্টা শিল্পী, মুক্তিযোদ্ধা ও শিল্পপতির মৃত্যুবার্ষিকীতে তার এই ঐতিহাসিক অবদানকে স্মরণ করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ডাকটিকিটের নকশাকার ছিলেন নিতুন কুন্ডু
  • 📌 ডাকটিকিটের মূল নকশায় ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক হিসেবে প্রজ্বলিত মশাল
  • 📌 তিনটি রঙে (লাল ২০ পয়সা, নীল ৬০ পয়সা, বেগুনি ৭৫ পয়সা) প্রকাশিত হয়েছিল ডাকটিকিট
  • 📌 ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের প্রথম ডাকটিকিটের নকশাকার ছিলেন বিমান মল্লিক
  • 📌 স্বাধীনতার পর ভারত সরকার বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারির ডাকটিকিট

📰 বিস্তারিত

১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত ডাকটিকিটের নকশাকার ছিলেন প্রথিতযশা শিল্পী নিতুন কুন্ডু। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশের নামে ডাকটিকিট প্রকাশের উদ্যোগ নেয়। এই উদ্যোগে নিতুন কুন্ডুকে অন্যতম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ডাকটিকিট কমিটিতে। তবে যুদ্ধকালীন ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটের মূল নকশাকার ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ভারতীয় বাঙালি বিমান মল্লিক।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভারত সরকার স্বপ্রণোদিতভাবে একটি ডাকটিকিট নকশা ও মুদ্রণ করে বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে প্রদান করে। এরপর ২৬ মার্চের ডাকটিকিটের নকশা করার দায়িত্ব পায় নিতুন কুন্ডু। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের প্রথম মহাপরিচালক এ এম আহসান উল্লাহ তাঁর স্মৃতিচারণামূলক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ডাকটিকিট প্রকাশের জন্য একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছিল। পরিষদে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান, আশরাফ আলী চৌধুরী, ড. নীলিমা ইব্রাহীম, আব্দুস সালাম এবং তিনি নিজে।

নিতুন কুন্ডুর নকশায় প্রস্তুত ডাকটিকিটের মূল নকশায় ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক হিসেবে প্রজ্বলিত একটি মশাল। এই নকশা ব্যবহার করে তিনটি ভিন্ন রঙে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়—লাল রঙের ২০ পয়সা, নীল রঙের ৬০ পয়সা এবং বেগুনি রঙের ৭৫ পয়সা মানের। নিতুন কুন্ডুর মুক্তিযুদ্ধকালীন পোস্টারের সাথে এই ডাকটিকিটের নকশার এক অপূর্ব সামঞ্জস্য ছিল।

"...শুরুতে ডাকটিকিট প্রকাশ নিয়ে বড়ই বিব্রত অবস্থায় পড়ি। কেননা কোন কিছুই আমাদের নেই। আর্টিস্ট, ডিজাইনার, সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস ইত্যাদির কোন কিছুরই হদিস নেই। এই সকল সমস্যা সমাধান একদিনে হবারও নয়। কাজেই ধাপে ধাপে এর সমাধান করার লক্ষ্যে প্রথমে একটি ডাকটিকিট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করি..."

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, মুজিবনগর, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিতুন কুন্ডু, এ এম আহসান উল্লাহ, কামরুল হাসান, বিমান মল্লিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০তম, ২৬ মার্চ, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০ পয়সা, ৬০ পয়সা, ৭৫ পয়সা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖