📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছেন। নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটকের প্রতিবাদে সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তারের মোটরসাইকেল নিবন্ধনহীন হওয়ায় পুলিশ আটক করার প্রতিবাদে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলে বাগবিতণ্ডা ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টে আক্তারুজ্জামান আক্তারের মোটরসাইকেল নিবন্ধনহীন হওয়ায় আটক করা হয়।
- 📌 মোটরসাইকেল আটকের প্রতিবাদে ছাত্রদলের ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে অবস্থান নেন।
- 📌 ঘটনাস্থলে গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
- 📌 জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম স্বীকার করেন, গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলে সেটি ভুল ছিল।
📰 বিস্তারিত
সোমবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টে যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করছিল। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তারের মোটরসাইকেলটি থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। মোটরসাইকেলটির নিবন্ধন না থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা সেটি আটক করেন। এ সময় টিএসআই উজ্জ্বল কুমারের সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগবিতণ্ডা হয়।
বিষয়টি জানাজানি হলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাতের দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। তারা প্রধান ফটকে অবস্থান নেওয়ায় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা পুলিশ সদস্যরা কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাদের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ দেওয়ার অভিযোগও উঠে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ছিল না। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে টিএসআই উজ্জ্বল কুমার চেকপোস্টে মোটরসাইকেলটি থামার সংকেত দেন। এর প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ কিছুটা বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের সঙ্গে খারাপ ভাষায় কথা বলেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।’
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম বলেন, ‘মোটরসাইকেল আটকের বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আলোচনার ভিত্তিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে থাকলে সেটিও ভুল হয়েছে বলে আমরা স্বীকার করছি।’
"সেখানে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রদল নেতাকর্মী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ কিছুটা বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের সঙ্গে খারাপ ভাষায় কথা বলেন। পরে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নিউ মার্কেট এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আক্তারুজ্জামান আক্তার (জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক), এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার), মীম ফজলে আজিম (জেলা ছাত্রদলের সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০-৬০ জন নেতাকর্মী, ৬৯ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ (পৃথক ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!