📌 কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ‘গ্লোবাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স সোসাইটি’র উদ্যোগে ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ‘মাতৃভাষা উৎসব ২০২৬’-এ ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মতিন ভাষা সংরক্ষণের আহ্বান জানান
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ‘গ্লোবাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স সোসাইটি’ (GMLLS) ৬ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার নিউ ওয়েস্টমিনস্টারের কুইন্সবোরো কমিউনিটি সেন্টারে ‘মাতৃভাষা উৎসব ২০২৬’ সফলভাবে উদ্যাপন করে। এই বার্ষিক অনুষ্ঠানে ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা ও ঐতিহ্যের সৌন্দর্য প্রদর্শিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ‘মাতৃভাষা উৎসব ২০২৬’-এ ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়।
- 📌 সংগঠনের সভাপতি ড. আব্দুল মতিন ১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সংগঠনের সাথে যুক্ত এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য আহ্বান জানান।
- 📌 ৩০ সেকেন্ডের নীরবতা পালন করা হয় বাংলাদেশের ভাষাশহীদদের স্মরণে।
- 📌 কানাডার ফেডারেল সংসদ সদস্য জেইক সাওয়াটস্কি উৎসবের বার্তা পাঠান, মাতৃভাষা সংরক্ষণকে স্বাগত জানান।
- 📌 ৭০টিরও বেশি ভাষা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন সাহিত্যিক ফারজানা নাজ শম্পা।
- 📌 বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার শিল্পীরা সাংস্কৃতিক নৃত্য পরিবেশনায় অংশ নেন।
📰 বিস্তারিত
‘গ্লোবাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স সোসাইটি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘মাতৃভাষা উৎসব ২০২৬’-এ ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়। সংগঠনের সভাপতি ড. আব্দুল মতিন ভাষা সংরক্ষণের জন্য আহ্বান জানান এবং বলেন, “ভাষা হলো শিকড় ও বংশানুক্রমিক ঐতিহ্যের মূল সেতু। এটি হারিয়ে গেলে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।” তিনি উল্লেখ করেন, ইউনেসকোতে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির প্রস্তাবক প্রয়াত রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামর অনন্য অবদানের কথা স্মরণ করেন।
উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে কানাডার জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এরপর ফার্স্ট নেশনসের শিল্পীরা ঐতিহ্যবাহী সংগীত পরিবেশন করে। ভাষাশহীদদের স্মরণে ৩০ সেকেন্ডের নীরবতা পালন করা হয়। কানাডার ফেডারেল সংসদ সদস্য জেইক সাওয়াটস্কি দাপ্তরিক ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তাঁর বার্তা পাঠান শফিউল আজম। তিনি মাতৃভাষা সংরক্ষণের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
বিশিষ্ট বাঙালি লেখক ও কবিরা এই আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সাহিত্যিক ফারজানা নাজ শম্পা তাঁর বক্তব্যে বিভিন্ন ভাষার সৌন্দর্য তুলে ধরেন এবং কানাডার সাহিত্য অনুবাদের প্রয়োজনীয়তা ও ৭০টিরও বেশি ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। কবি শাহানা আক্তার মহুয়া ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির স্বতন্ত্র পরিচয় গঠনের ভূমিকা বর্ণনা করেন।
উৎসবের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার শিল্পীরা নিজস্ব সংস্কৃতির নৃত্য পরিবেশনায় অংশ নেন। এই বর্ণিল আয়োজনে হাসান মামুন, মাইকেল দীপায়ন মিত্র ও শফিউল আজমসহ নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নিরলস পরিশ্রমের ফলাফল হিসেবে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
"ভাষা হলো শিকড় ও বংশানুক্রমিক ঐতিহ্যের মূল সেতু; এটি হারিয়ে গেলে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার নিউ ওয়েস্টমিনস্টার, কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আব্দুল মতিন, ফারজানা নাজ শম্পা, জেইক সাওয়াটস্কি, শাহানা আক্তার মহুয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর, ১৪ বছর, ৩০ সেকেন্ড, ৭০টি ভাষা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!