📌 ঢাকায় প্রতি মাসে গড়ে ৫০টি বেওয়ারিশ মরদেহ উদ্ধার ও সৎকার করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম গত ৮ মাসে ৪০০-এরও বেশি অজ্ঞাতনামা লাশ দাফন করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনা, অসুস্থতা বা হত্যার শিকার অনেকের পরিচয় শনাক্ত করা যায় না
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। এসব মরদেহের মধ্যে অনেকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। ফলে বেওয়ারিশ হিসেবে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সংস্থাটি গত ৮ মাসে (জানুয়ারি থেকে আগস্ট) মোট ৪০০-এরও বেশি বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করেছে। প্রতি মাসে গড়ে ৫০টি মরদেহের দায়িত্ব নিচ্ছে এই সংস্থা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ৮ মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ৪০০টি বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন করেছে, যার মধ্যে ৭৪টি জুরাইন কবরস্থানে এবং ৩২৫টি মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
- 📌 মাসে গড়ে ৫০টি বেওয়ারিশ মরদেহের দায়িত্ব নিচ্ছে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। জানুয়ারিতে ৩০টি, ফেব্রুয়ারিতে ৫৯টি, মার্চে ৫২টি, এপ্রিলে ৪৬টি, মে মাসে ৫৬টি, জুনে ৬৭টি, জুলাইয়ে ৪২টি এবং আগস্টে ৪৮টি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় দাফন করা হয়েছে।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনা, পানিতে ডুবে যাওয়া, অসুস্থতা বা হত্যার শিকার অনেকের পরিচয় শনাক্ত করা যায় না। এদের মধ্যে নারীও রয়েছেন।
- 📌 পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, এত বেশি বেওয়ারিশ মরদেহের কারণ সম্পর্কে তাঁর বিস্তারিত জানা নেই।
- 📌 গতকাল সোমবার শাহবাগ, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী ও কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকা থেকে এক নারীসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় এদেরও বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হবে।
📰 বিস্তারিত
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তথ্য মতে, গত ৮ মাসে (জানুয়ারি থেকে আগস্ট) মোট ৪০০টি বেওয়ারিশ মরদেহের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৭৪টি মরদেহ জুরাইন কবরস্থানে এবং ৩২৫টি মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। একটিমাত্র মরদেহ পোস্তগোলা শ্মশানঘাটে সৎকার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। এদের মধ্যে নারীও রয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনা, পানিতে ডুবে যাওয়া, অসুস্থতা বা হত্যার শিকার অনেকের পরিচয় শনাক্ত করা যায় না। এদের বেশিরভাগই ভবঘুরে, মানসিক ভারসাম্যহীন, গৃহহীন বা দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা মানুষ। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন না থাকায় পরিচয় শনাক্ত করা যায় না। ফলে বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহ আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, এত বেশি বেওয়ারিশ মরদেহের কারণ সম্পর্কে তাঁর বিস্তারিত জানা নেই। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত তথ্য পেতে চেষ্টা করছেন।
গতকাল সোমবার ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে এক নারীসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শাহবাগ, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী ও কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন নারী এবং চারজন পুরুষ। পুলিশ জানায়, এদের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হবে।
"এত বেশিসংখ্যক মরদেহ বেওয়ারিশ হওয়ার কথা নয়, এ বিষয়ে আমার বিস্তারিত জানা নেই।"
— পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শাহবাগ, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, আদাবর, জাতীয় ঈদগাহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুফিদুল ইসলাম (আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম), মোসলেহ উদ্দিন আহমদ (পুলিশ কমিশনার), জাহিদুল ইসলাম (আদাবর থানার ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি (মাসে বেওয়ারিশ মরদেহ), ৪০০টি (৮ মাসে বেওয়ারিশ মরদেহ), ৭৪টি (জুরাইন কবরস্থানে), ৩২৫টি (মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার কবরস্থানে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!