📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেত্রকোনায় ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১১ বছরের শিশু: মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

নেত্রকোনায় ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১১ বছরের শিশু: মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার মদনে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১১ বছরের এক শিশুর ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করেছে। ডিএনএ পরীক্ষায় আসামির সঙ্গে নবজাতকের মিল পাওয়া গেছে।

নেত্রকোনা জেলার মদনে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১১ বছরের এক শিশুর ঘটনায় আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরসহ তাঁর ভাই মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামান আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত
  • 📌 তাঁর ভাই মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া (৩২) দ্বিতীয় আসামি হিসেবে যুক্ত
  • 📌 শিশুটিকে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ
  • 📌 ডিএনএ পরীক্ষায় নবজাতকের সঙ্গে আসামির ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া যায়
  • 📌 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও দণ্ডবিধির ধারায় অভিযোগ গঠন

📰 বিস্তারিত

গত ২৩ এপ্রিল নেত্রকোনার মদনে শিশুটির মা মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এর ফলে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে গত ২ জুলাই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশে ঢাকার সিআইডি ল্যাবে পাঠানো নমুনার প্রতিবেদন সম্প্রতি আদালতে পৌঁছেছে। ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের ফলাফলে নবজাতকের সঙ্গে আসামি আমান উল্লাহ মাহমুদীর পিতৃত্বের সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত হয়েছে। গত ২৮ জুলাই সিআইডি সিলেটের একটি সেফ হোম থেকে নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর আগে গত ১৭ মে অভিযুক্ত আমান উল্লাহ মাহমুদীর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

আদালতের নির্দেশে গত ৭ মে আমান উল্লাহকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। রিমান্ড শেষে ১০ মে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। শিশুটির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তার মা আদালতে সুরক্ষার আবেদন করেন। পরে আদালত শিশুটিকে সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

"ডিএনএ পরীক্ষায় নবজাতকের সঙ্গে আসামির পিতৃত্বের সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আমান উল্লাহ মাহমুদী (মাদ্রাসাশিক্ষক), মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর, ৩২ বছর, ৯৯ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖